উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে নিজের নবগঠিত শান্তি পরিষদ থেকে কানাডার আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে সম্বোধন করে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘অনুগ্রহ করে এই বার্তাকেই চূড়ান্ত মনে করুন, শান্তি পরিষদ আপনার প্রতি দেওয়া কানাডার যোগদানের আমন্ত্রণটি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।’
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে কার্নি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থায় একটি ফাটল বা ভাঙনের সতর্কতা দিয়ে সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়েছিলেন।
কানাডা এর আগে জানিয়েছিল, তারা এই পরিষদে যোগ দিতে রাজি। তবে এর জন্য কোনো অর্থ দিতে পারবে না।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান আন্তোনিও কস্তা বলেছেন, ইউরোপীয় নেতাদের এই পরিষদের পরিধি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। তবে গাজা ইস্যুতে তারা এই সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
শান্তি পরিষদকে যুক্তরাষ্ট্র বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে তুলে ধরছে; যার চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রাম্প ব্যাপক নীতিনির্ধারণী ক্ষমতার অধিকারী।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার ওই পোস্টে ট্রাম্প কানাডার আমন্ত্রণ বাতিল করার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি।
কার্নির কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, নীতিগতভাবে তিনি ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে কানাডা সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, তারা পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য ১ বিলিয়ন ডলার সদস্য ফি দেবে না।
ট্রাম্প আগে বলেছিলেন, এই পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের সংস্থার তহবিল জোগাতে এই পরিমাণ অর্থ দিতে হবে।
মূলত গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধ এবং পুনর্গঠনপ্রক্রিয়া তদারকির লক্ষ্যে এই শান্তি পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নেন ট্রাম্প।