হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

উন্নয়নশীল দেশে চীনা ঋণের বিকল্প হিসেবে আসছে পশ্চিমের বড় বিনিয়োগ

যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমের ধনী দেশগুলো চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে অনেক আগে থেকেই। গত বছরই বাইডেন প্রশাসন উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বড় বিনিয়োগের ইঙ্গিত দেয়। সেটিই এখন বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যেই বিশ্বব্যাপী পাঁচ থেকে দশটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। 

গতকাল সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এক জ্যে‍ষ্ঠ কর্মকর্তা। 

ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডেপুটি সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার দিলীপ সিংয়ের নেতৃত্বে এক মার্কিন প্রতিনিধিদল সেনেগাল ও ঘানায় ১০টি প্রকল্প নির্ধারণ করেছে। গত জুনে ঘোষিত জি-৭ দেশগুলোর ব্যাক বেটার ওয়ার্ল্ডের (বিডব্লিউথ্রি) আওতায় এ প্রকল্পগুলোয় অর্থায়নের জন্য মার্কিন কর্মকর্তারা বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি খাতের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় জি-৭ দেশগুলোর বৈঠকে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। 

ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নে গত অক্টোবরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল ইকুয়েডর, পানামা এবং কলম্বিয়া সফর করে। আরেকটি দল এ বছরের মধ্যেই এশিয়ার কয়েকটি দেশ সফর করবে বলে জানান তিনি। তবে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি। 

জি-৭ দেশগুলোর ব্যাক বেটার ওয়ার্ল্ড প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো-২০৩৫ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলো অবকাঠামো উন্নয়নে যে ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করবে সেটির একটি অংশে অবদান রাখা। পাশাপাশি এসব দেশে সমস্যাজনক চীনা ঋণ দান প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। 

কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু, স্বাস্থ্য, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব, ঋণ গ্যারান্টি, রাজনৈতিক নিশ্চয়তা, অনুদান এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার মতো বিষয়গুলোতে পূর্ণাঙ্গ সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। 

হোয়াইট হাউস ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র এমিলি হর্ন জানিয়েছেন, কপ ২৬ জলবায়ু সম্মেলনের সময় বাইডেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ জি-৭ জোটভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব প্রকল্পে গতি আনার বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন। 

অন্যদিকে, সেনেগাল এবং ঘানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলো হতে পারে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সেনেগালে পশ্চিম আফ্রিকার জন্য একটি সম্ভাব্য টিকা উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন ও ঋণ দানের মাধ্যমে আফ্রিকার নারীদের উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী করে তোলা। 

পশ্চিমা ধনী দেশগুলোর এসব প্রকল্পের বিষয়ে জানতে চাইলে এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েবিন রয়টার্সকে বলেন, নির্দিষ্ট কোনো উদ্যোগের মাধ্যমে অন্য উদ্যোগকে দাবিয়ে দেওয়া যায় না। বরং সবার উচিত বিভাজন বাদ দিয়ে পুরো বিশ্বে সম্প্রীতির চর্চা করা। 

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান—সর্বশেষ যা জানা গেল

যুক্তরাষ্ট্রেই হবে মাদুরোর বিচার, ভেনেজুয়েলায় অভিযান আপাতত শেষ: রুবিও

দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই মামদানির বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ ইসরায়েলের

নববর্ষ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে সদ্য আঁকা যিশুর ছবি ২৭ লাখ ডলারে বেচলেন ট্রাম্প

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, হস্তক্ষেপে ‘প্রস্তুত হয়ে বসে আছে’ যুক্তরাষ্ট্র

আমরা আর দেরি করব না—দায়িত্ব নিয়েই মামদানির ঘোষণা

২০২৫ সালে মোট কয়টি দেশে বোমা ফেলেছেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেতে শুধু বিয়েই যথেষ্ট নয়

কোরআন ছুঁয়ে নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি

ট্রাম্পের বাঁ হাতে নতুন কালশিটে দাগ, ফের আলোচনায় প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য