ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন এবং তাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে পাকিস্তানিরা। আজ রোববার করাচির মাই কোলাচি রোডে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, এতে অনেকেই আহত হয়েছেন।
উদ্ধারকারী সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। পরে আহত ব্যক্তিদের একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে করাচি সিভিল হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।
সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত জানতে করাচির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (এআইজি) আজাদ খানের কাছে তথ্য চান বলে তাঁর দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়। লাঞ্জার বলেন, ‘কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।’ তিনি সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী আরও নির্দেশ দেন, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প সড়ক নির্ধারণ করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থেকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। লাঞ্জার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিতকারী উপাদানগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বেলা প্রায় ১১টার দিকে দেওয়া এক হালনাগাদ বার্তায় করাচি ট্রাফিক পুলিশ জানায়, বিক্ষোভের কারণে সুলতানাবাদ ট্রাফিক সেকশন থেকে মাই কোলাচির দিকে সড়কের উভয় পাশ যান চলাচলের জন্য বন্ধ রয়েছে। বিকল্প পথ জানিয়ে তারা বলে, জিন্নাহ ব্রিজ থেকে আসা যানবাহনকে আইআই চুন্দ্রিগড় রোডের দিকে পাঠানো হচ্ছে। বোট বেসিন থেকে আসা গাড়িগুলোকে মাই কোলাচি ফটক থেকে ইউটার্ন করিয়ে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আর পিআইডিসি থেকে আসা যানবাহন পার্ক কাট থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ট্রাফিক পুলিশ জনসাধারণকে ভোগান্তি এড়াতে বিকল্প পথ জানতে ট্রাফিক হেল্পলাইন ১৯১৫ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানায়। তারা আরও জানায়, ‘ট্রাফিক পুলিশ উপস্থিত থেকে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে।’