হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইসরায়েল-মিসর সম্পর্কে অবনতি, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করতে চায় কায়রো

ইসরায়েল ও মিসরের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের শুরু ৪৫ বছর আগে। এই সময়ের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক খুব একটা উষ্ণ না হলেও একটি ন্যূনতম সম্পর্ক বজায় ছিল। তবে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে ফাটল তৈরি হয়েছে। এমনকি তেল আবিব থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও ভাবছে কায়রো।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে মিসরীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন, রাফাহে দেশটির অভিযানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে মতভেদের বিষয়টি প্রকট আকার ধারণ করেছে। এই অবস্থায় ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিত করার কথা ভাবছে মিসর। বিশেষ করে গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ইসরায়েল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করে দেশটি।

এই অবস্থায় ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন না করে তা সীমিত করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিসরীয় কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মিসরীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কায়রো ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের বিষয়টিও বিবেচনা করে দেখছে।

অপর এক মিসরীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, ‘আমাদের যে অবস্থান সে অনুসারে কূটনৈতিক সম্পর্কচ্ছেদ বা ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ছুড়ে ফেলার ইচ্ছা আমাদের নেই।’ মূলত ১৯৭৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্প ডেভিডে স্বাক্ষরিত মিসর-ইসরায়েলের মধ্যকার শান্তি চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় ওই মিসরীয় কর্মকর্তা ইসরায়েলি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আরও বলেন, ‘তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী রাফাহ ক্রসিংয়ে (মিসর ও গাজার মধ্যকার সংযোগ পথ) অবস্থান করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত মিসর একটি ট্রাকও (ত্রাণবাহী) রাফাহে পাঠাবে না।’ তবে রাফাহে ত্রাণের ট্রাক পাঠাতে না পারলে সেটির ফলাফল কী হবে সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি ওই মিসরীয় কর্মকর্তা।

এর আগে, চলতি সপ্তাহের রোববার মিসর জানায়, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস) গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অভিযোগে যে মামলা দায়ের করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, তাতে সমর্থন দেবে কায়রো। তার আগে, মিসর হুমকি দেয়—যতক্ষণ পর্যন্ত রাফাহে ইসরায়েলি বাহিনী অবস্থান করবে, কায়রো ততক্ষণ পর্যন্ত রাফাহ হয়ে গাজায় ত্রাণ প্রবেশের বিষয়ে আর সমন্বয় করবে না।

ভারত মহাসাগরে ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন অভিযান

ইরান আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে: লেবাননের প্রেসিডেন্ট

মার্কিন রণতরিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে ইরান বলল—সতর্ক করলাম

হিজবুল্লাহর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করল ইরান, শান্তিচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা

পরিবারের মধ্যে এমন হয়—ট্রাম্পের গালিগালাজ প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর

আবারও যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত ইসরায়েল-লেবাবন

হিজবুল্লাহ ফাঁদ কীভাবে উতরাবে ইসরায়েল

ইরান পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করতে সম্মত হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় নিহত ১, ক্ষতিগ্রস্ত কূটনৈতিক স্থাপনা