ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করছে ইসরায়েল। তবে এমন দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও মেহের নিউজ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং তিনি ‘যুদ্ধের ময়দানে সরাসরি নির্দেশনা দিচ্ছেন’।
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, বিমান হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন এবং তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা এই নেতা দেশটির ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কেবল ইরানের রাষ্ট্রপ্রধানই না, তিনি দেশটির সামরিক বাহিনীরও প্রধান। তাঁর অধীনে দেশটির যাবতীয় গুরুত্বপর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা।
১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ইরানের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির মূল নিয়ন্ত্রক।
দেশটির জাতীয় পুলিশ এবং বিতর্কিত নীতি পুলিশের ওপর তাঁর একক কর্তৃত্ব। খামেনি সরাসরি ‘ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস’ (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রণ করেন, যা ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান স্তম্ভ।
এছাড়া আইআরজিসির মিলিশিয়া শাখা ‘বাসিজ রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের’ প্রধানও তিনি। ইরানে যে কোনো ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ বা ভিন্নমত দমনে এই বাসিজ বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়।