হোম > বিশ্ব > লাতিন আমেরিকা

ফুরিয়ে গেছে ডিজেল-ফার্নেস অয়েল, জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত কিউবায় বিক্ষোভ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

কিউবার রাজধানী হাভানার কোনো কোনো অংশে ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। ছবি: এএফপি

কিউবায় ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের মজুত পুরোপুরি ফুরিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও লেভি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে সীমিত পরিমাণে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জ্বালানি অবরোধের কারণে কিউবার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এখন ‘সংকটজনক’ অবস্থায় রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে গত বুধবার কিউবার রাজধানী হাভানায় বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র কিউবাকে ১০ কোটি ডলার (৭ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ড) সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে শর্ত হিসেবে কিউবার ‘কমিউনিস্ট ব্যবস্থায় অর্থবহ সংস্কার’ দাবি করেছে ওয়াশিংটন।

জ্বালানিমন্ত্রী দে লা ও লেভি বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি, যেমন অপরিশোধিত তেল ও ফার্নেস অয়েল আমাদের হাতে একদমই নেই। আমি আবারও বলছি, ডিজেলও আমাদের কাছে এখন নেই। আমাদের একমাত্র ভরসা দেশীয় কূপের গ্যাস, যার উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, মার্কিন অবরোধের কারণে রাজধানী হাভানার কোনো কোনো অংশে ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি ‘চরম উত্তেজনাপূর্ণ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জ্বালানি সংকটে কিউবার হাসপাতালগুলোতে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি স্কুল ও সরকারি দপ্তরগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি পর্যটন খাতের ওপরও।

সাধারণত কিউবা তাদের শোধনাগার পরিচালনার জন্য ভেনিজুয়েলা ও মেক্সিকোর ওপর নির্ভর করে। তবে কিউবায় জ্বালানি পাঠালে শুল্ক আরোপ করা হবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন হুমকির পর দেশ দুটি কিউবায় সরবরাহ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেন, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের ১০ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে কিউবা এই দাবি অস্বীকার করেছে।

গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের সহায়তার প্রস্তাবটি আবারও তুলে ধরে বলে, এই মানবিক সহায়তা ক্যাথলিক চার্চ ও ‘নির্ভরযোগ্য’ মানবিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। সংস্থাটি আরও যোগ করে, ‘সহায়তা গ্রহণ করা বা এই জীবনরক্ষাকারী সাহায্য ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কিউবা সরকারের ওপরই নির্ভর করছে। শেষ পর্যন্ত এই সংকটের জন্য কিউবার জনগণের কাছে তাদেরই জবাবদিহি করতে হবে।’

মে মাসের শুরুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে কিউবার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে দেশটির ওপর অবরোধ আরও জোরদার করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘অবৈধ ও নিপীড়নমূলক’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ।

কোপাকাবানা সৈকতে জড়ো হলো শাকিরার ২০ লাখ ভক্ত

পাবলো এস্কোবারের ৮০টি জলহস্তী বাঁচাতে চান আম্বানির ছেলে

মাদুরোর মামলার খরচ দিতে পারবে ভেনেজুয়েলা

মাদুরোর মামলা চালাতে পারবে ভেনেজুয়েলা সরকার, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি

মেক্সিকোতে রহস্যজনক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সিআইএ এজেন্ট নিহত, কূটনৈতিক উত্তেজনা

১০ দিনেও শেষ হয়নি ভোট গণনা, পেরুর নির্বাচন পরিচালনা প্রধানের পদত্যাগ

ব্যবহৃত পোশাকের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে যে দেশের মরুভূমি

‘গাধার মাংস খেলেই জাতি সুস্থ থাকবে’, আর্জেন্টিনার সিনেটরের মন্তব্যে তোলপাড়

ব্রাজিলে সহস্রাধিক মার্কিন অস্ত্র ও দেড় টন মাদক জব্দ

কিউবা যাচ্ছে রাশিয়ার দ্বিতীয় তেলবাহী জাহাজ, দখলের আশা কি ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প