হোম > বিশ্ব > ভারত

ভারতকে দুর্বল করতে বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র চলছে, যুক্ত কংগ্রেসও: মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতা নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, তাঁর দেশকে দুর্বল করতে বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। আর এতে যুক্ত আছে বিরোধী দল কংগ্রেসও। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের জয় উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এই দাবি করেন। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মোদি বলেন, জাতির অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও সামাজিক বন্ধন ক্ষতিগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। কংগ্রেস এবং তাদের আশ্রিত ও সমর্থনপুষ্ট পুঁজিপতিরা এই ষড়যন্ত্রের অংশ। 

মোদি এ সময় বলেন, কংগ্রেস মনে করে ‘ক্ষমতা তাদের জন্মগত অধিকার’ এবং এটি ছাড়া তারা কাজ করতে অক্ষম। তিনি বলেন, ‘সরকারে না থাকলে কংগ্রেসের অবস্থা ডাঙায় তোলা মাছের মতো হয়ে যায়।’ এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস যেনতেন উপায়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য ‘হতাশা জর্জরিত সিদ্ধান্ত’ নিচ্ছে কংগ্রেস তারও নিন্দা করেন তিনি। 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও অভিযোগ করেন, ‘ক্ষমতায় এলে কংগ্রেস দেশ ও সমাজকে ঝুঁকিতে ফেলতে দ্বিধা করে না।’ এ সময় তিনি তাঁর পুরোনো বিশ্বাসের ওপর জোরারোপ করে বলেন, কংগ্রেস সব সময় দেশের মঙ্গলের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়। 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ভারতের হরিয়ানা ও জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়। এতে হরিয়ানা বিধানসভার ৯০টি আসনের মধ্যে বিজেপি পায় ৪৭টি, যা ২০১৯ সালের নির্বাচনের চেয়ে সাতটি বেশি। ৩৭টি আসন নিয়ে বিরোধী দলে আছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।

দিনে পারলারের ব্যবসা, রাতে ‘ম্যাডাম জেহের’ নামে দিল্লির মাদক সম্রাজ্ঞী

এপস্টেইন নথি বিতর্কে ভারতের এআই সম্মেলন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিল গেটস

ভারতের পুনেতে যৌনপল্লি থেকে ১১ ‘বাংলাদেশি’ নারী উদ্ধার

ভারত থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার ডাক

চীনা রোবটকে ‘নিজেদের উদ্ভাবন’ দাবি করে বিপাকে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশকে দেখে শিখুন কীভাবে নির্বাচন করতে হয়, ভারতের ইসিকে মমতা

কলকাতায় গায়কসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

আসামে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে, সংঘাতকালে এরা বাংলাদেশের পক্ষ নেবে: হিমন্ত

ভারতে ইসরায়েলি নারীকে ধর্ষণ, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

বিএনপির জয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সেতু পুনর্গঠনের প্রত্যাশা শান্তিনিকেতন–বিশ্বভারতীর