কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে আগ্রহ হারাচ্ছে বিভিন্ন আঞ্চলিক দল। মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল এখন ব্যস্ত কংগ্রেস ভাঙার খেলায়। অন্যরাও তেমন একটা আগ্রহী নয় নতুন করে শতাব্দী প্রাচীন দলটির সঙ্গে জোট করতে।
তিন বছর পর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে এসেই বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় রাজনীতির অন্যতম বর্ণময় চরিত্র লালুপ্রসাদ যাদবও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। আরজেডি নেতা লালু কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের বন্ধু। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কও খুব ভালো। তাই লালুর রাগ কমাতে খোদ কংগ্রেস সভানেত্রী নিজেই ফোন করেন।
সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ সৌজন্য মূলক কথাবার্তা হয়। সোনিয়া অন্যান্য সমমনোভাবাপন্ন দলের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে। দলকেও চাঙা করার চেষ্টা করছেন।
আর লালু জেল ও হাসপাতালে তিন বছর কাটিয়ে বিহারে পৌঁছেই নিজস্ব ঢঙে মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারকে বিসর্জনের হুমকি দেন। তাঁর হুমকি হেসে উড়িয়ে দিয়ে নীতীশের পাল্টা রসিকতা, উনি (লালু) আমাকে গুলি করতে পারেন!
অন্যদিকে, মমতা ব্যানার্জির তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েই চলেছে। তৃণমূল নেতারা প্রকাশ্যে কংগ্রেসের সমালোচনা করছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিরোধী জোটে অনৈক্যের জন্য কংগ্রেসই দায়ী।
কংগ্রেসের পাল্টা অভিযোগ, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার ভয়েই তৃণমূল জোটে জটিলতা করছে। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা তৃণমূলের নাম না করেও বিজেপির সঙ্গে দোস্তির অভিযোগ তুলেছেন।