হোম > বিশ্ব > ভারত

প্রবল বর্ষণে মুম্বাইয়ে ভবনধস, নিহত ১৫

প্রবল বর্ষণে ভারতের মুম্বাইয়ে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত ও আজ রোববার সকালের টানা বৃষ্টিতে ভবনধসের ঘটনায় হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বেশ কয়েকজন আটকা পড়ে আছেন।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের চেম্বুর ও বিক্রোলি এলাকায় শনিবার গভীর রাতে দুটি ভবন ভেঙে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চেম্বুরের ভরত নগরের ধসে পড়া ভবন থেকে ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আর বিক্রোলি এলাকার ধসে পড়া ভবন থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে নয়জনকে। তাঁদের আশপাশের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, চেম্বুরের ভরত নগর এলাকায় ভেঙে পড়া বাড়ির নিচ থেকে ১১ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। আর বিক্রোলিতে পাওয়া গেছে ৪ জনের মৃতদেহ। পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। চুনাভাট্টি, দাদার, গাঁধী মার্কেট, চেম্বুর, কুরলা, বোরিভলি এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, এই বৃষ্টি আরও পাঁচ দিন থাকবে।

এক টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, যাঁরা জীবন হারিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেক পরিবারকে দুই লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আর আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার রুপি করে।

শনিবার রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ১৫৬ দশমিক ৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করেছে মুম্বাই। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাদার, পারেল, মাতুঙ্গা, কুরলা, সিওন, ভান্দুপ এবং অন্যান্য কিছু জায়গায় পানি জমে রেললাইন তলিয়ে যাওয়ায় রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিল মোদি সরকার

ভারতীয়দের শিগগির ইরান ত্যাগের নির্দেশ

কর্ণাটকে ঘুড়ির সুতায় গলা কেটে মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

মমতা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন: ভারতীয় মন্ত্রী

সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ভাষণের নতুন রেকর্ড গড়েছে ভারত

বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর কোনো পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নয়: ভারতীয় সেনাপ্রধান

চলচ্চিত্র ইস্যুতে থালাপতি বিজয়ের পাশে রাহুল, জোটের রাজনীতি নিয়ে গুঞ্জন

বাংলাদেশের তিন পাশে এবার পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত

হাজারো মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে দেশের আইনেরও তোয়াক্কা করছে না ভারত

ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি জানুয়ারির শেষে—দিল্লি সফরে জার্মান চ্যান্সেলর