হোম > বিশ্ব > ভারত

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুই ভাইয়ের হতে পারে ৪০০ বছরের কারাদণ্ড

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ভাস্কর সাভানি ও অরুণ সাভানি। ছবি: এক্স

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় ভিসা জালিয়াতি, স্বাস্থ্যসেবায় জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুই ভাই। ভাস্কর সাভানি (৬০) ও অরুণ সাভানি (৫৮) নামের এই দুই ভাই ‘সাভানি গ্রুপ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বছরের পর বছর কোটি কোটি ডলারের অবৈধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ে বড় ভাই ভাস্করের সর্বোচ্চ ৪২০ বছর এবং ছোট ভাই অরুণের ৪১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

মার্কিন অ্যাটর্নি অফিসের বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, সাভানি ভাইয়েরা তাঁদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারি কর্মসূচির অর্থ অপব্যবহার করে নিজেদের সম্পদ বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।

সাভানি গ্রুপ মূলত জালিয়াতির মাধ্যমে ভারত থেকে বিদেশি কর্মীদের (এইচ-১বি ভিসা) নিয়োগ দিত। এসব কর্মীকে বিভিন্ন ফি দিতে বাধ্য করা হতো এবং তাদের বেতনের একটি অংশ কোম্পানির কাছে ফেরত দিতে হতো। অভিবাসী হিসেবে স্থায়ী হতে কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এসব কর্মীকে চরমভাবে শোষণ করা হতো।

পেশায় দন্তচিকিৎসক ভাস্কর সাভানি সরাসরি চিকিৎসাসংক্রান্ত জালিয়াতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তিনি মেডিকেইড বিমা চুক্তি থেকে বাতিল হওয়ার পরও অন্যের নামে বেনামি প্রতিষ্ঠান খুলে মেডিকেইড থেকে অর্থ গ্রহণ অব্যাহত রাখেন। এই স্কিমের মাধ্যমে দুই ভাই মিলে প্রায় ৩ কোটি ডলারের (৩০ মিলিয়ন) জালিয়াতি করেন।

তদন্তে দেখা গেছে, অন্য একজন দন্তচিকিৎসক যখন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ছিলেন, তখন তাঁর পরিচিতি নম্বর (এনপিআই) ব্যবহার করে মেডিকেইডে ভুয়া বিল পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সনদ ছাড়াই অদক্ষ চিকিৎসকদের দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা করানো হতো।

তদন্তকারীরা আরও একটি ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করেছেন। সাভানি গ্রুপ রোগীদের অজান্তেই তাঁদের শরীরে এমন কিছু ডেন্টাল ইমপ্লান্ট স্থাপন করেছিল যেগুলোতে স্পষ্টভাবে লেখা ছিল ‘মানুষের ব্যবহারের জন্য নয়’। এসব প্রোটোটাইপ ডিভাইস মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) দ্বারা অনুমোদিত ছিল না।

জালিয়াতি থেকে আসা অর্থ গোপন করতে দুই ভাই বিভিন্ন করপোরেট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একটি জটিল নেটওয়ার্ক তৈরি করে অর্থ পাচার করতেন। এ ছাড়া তাঁরা প্রায় ১৬ লাখ ডলারের ব্যক্তিগত আয় এবং ১১ লাখ ডলারের কর্মী আয়ের ওপর কর ফাঁকি দিয়েছেন। নিজেদের বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ, সম্পত্তি কর এবং সন্তানদের কলেজের টিউশন ফি-র মতো ব্যক্তিগত খরচগুলোকেও তাঁরা ব্যবসার খরচ হিসেবে দেখিয়েছিলেন।

মজার বিষয় হলো, ২০২৩ সালে অভিযুক্ত হওয়ার পরও এই ভাইয়েরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এফবিআই প্রধান ক্যাশ প্যাটেলের সঙ্গে দেখা করার ছবি শেয়ার করেছিলেন।

আদালত আগামী জুলাই মাসে তাঁদের চূড়ান্ত সাজা ঘোষণা করবেন। ভাস্কর সাভানির সাজা ৮ জুলাই এবং অরুণ সাভানির সাজা ৯ জুলাই ঘোষণা করার দিন ধার্য করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট অপরাধে ভাস্কর সাভানির সর্বোচ্চ ৪২০ বছর ও অরুণ সাভানির সর্বোচ্চ ৪১৫ বছরের জেল হতে পারে। এর পাশাপাশি আলেক্সান্দ্রা রাদোমিয়াক নামের তাঁদের এক সহযোগীও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁর ৪০ বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে।

৫৪ বছর পর প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হলো না কোনো মুসলিমের

ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে ভিয়েতনামের চুক্তি, নিতে চায় ইন্দোনেশিয়াও

ভারতে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টকে লালগালিচা সংবর্ধনা, আলোচনা হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে

মমতার ডাকে ৮০ বিধায়কের মধ্যে এলেন মাত্র ২০, শেষ পর্যন্ত বাতিল বৈঠক

কলেবর বাড়ছে শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার, ঠাঁই পেতে পারেন রুদ্রনীল

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অমিত শাহর নীলনকশা, কী আছে এতে

ভারতের নয়া চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল রাজা সুব্রামানি

পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে আটক ৪০০ জন, চলছে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রচেষ্টা

মমতার ভাতিজা অভিষেককে চড়-থাপ্পড়, ডিম-পাথর নিক্ষেপ

ভারতে ডিটেনশন সেন্টারে যাওয়ার ভয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে ভিড় করছেন কথিত অভিবাসীরা