হোম > বিশ্ব > ভারত

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন, সন্দেহভাজনকে পিটিয়ে হত্যা 

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় এক তৃণমূল নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হত্যাকারীকে পিটিয়ে হত্যা করে। বেশ কয়েকটি বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দোষারোপের রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিকে (সিপিএম) দোষারোপ করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলিতে নিহত ওই তৃণমূল নেতার নাম সাইফুদ্দিন লশকর। আজ সোমবার সকালের দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার জয়নগরের নিজ বাড়ির বাইরে লশকরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। লশকর জয়নগরের বামুনগাছি এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান। তাঁর স্ত্রী স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান।

এদিকে, ঘটনার পরপরই লশকরের সমর্থকেরা হত্যাকারী সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় স্থানীয় বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেয় লশকরের লোকেরা। স্থানীয় তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা সিপিএমকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছে।

তবে সিপিএম নেতা সিপিএম সুজন চক্রবর্তী এই হত্যাকাণ্ডের দায় অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছে, এই হত্যাকাণ্ড তৃণমূলের দলীয় কোন্দলের কারণেই হয়েছে এবং এখানে সিপিএমকে দোষারোপ করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, পুলিশ অবশ্যই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করে ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করবে।

অপরদিকে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই বিষয়ে তদন্ত চলছে।

ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি জানুয়ারির শেষে—দিল্লি সফরে জার্মান চ্যান্সেলর

সত্যিকারের বন্ধুত্বে মতবিরোধ থাকতে পারে, ট্রাম্প-মোদি প্রসঙ্গে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই টুল আনছে মহারাষ্ট্র সরকার

নিজের চরকায় তেল দাও—মামদানিকে ভারতের তিরস্কার

মহারাষ্ট্রের স্বার্থে ট্রাম্পকে সমর্থন করতেও প্রস্তুত: রাজ ঠাকরে

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

বঙ্গোপসাগরে চীনের ওপর নজরদারি বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের নতুন নৌঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কপথে জয়শঙ্করের ৪০০ মাইলের রুদ্ধশ্বাস যাত্রা, নেপথ্য কাহিনি

৫ বছর পর ফের ভারতের সরকারি কাজে চীনা ঠিকাদাররা, বাড়ছে সম্পর্কের উষ্ণতা