হোম > বিশ্ব > ভারত

আইনজীবীর বেশে খুনি, আদালত চত্বরে গ্যাংস্টারকে গুলি করে হত্যা

উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ের একটি আদালতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন সঞ্জীব মহেশ্বরী নামে এক গ্যাংস্টার। আদালত কক্ষের বাইরেই আইনজীবীর পোশাক পরা খুনি সঞ্জীবকে পরপর কয়েকটি গুলি করে।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় ভারতীয় এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।

খবরে বলা হয়, গ্যাংস্টার সঞ্জীব মহেশ্বরী সঞ্জীব জিভা নামে পরিচিত। উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলে তিনি কয়েকটি অপরাধ চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন।

একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, আদালত প্রাঙ্গণে গুলিবিদ্ধ সঞ্জীব জিভা রক্তে ভেসে যাচ্ছেন। আশপাশের মানুষ তাঁর রক্তক্ষরণ বন্ধ করার চেষ্টা করছেন।

আজ বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ওই ঘটনাটি ঘটে। এ সময় সঞ্জীবের সঙ্গে থাকা চার পুলিশের মধ্যে দুজন আহত হন। এ ছাড়া ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা এক নারী ও শিশুও আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে আহত সঞ্জীবকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন।

লক্ষ্ণৌ পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপেন্দ্র আগারওয়াল জানিয়েছেন, সঞ্জীবকে আক্রমণ করা ওই ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সময় আদালত চত্বরে থাকা আইনজীবীরা তাঁকে ধরে ফেলেছিলেন। পরে তাঁরা তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার সঞ্জীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অসংখ্য মামলা রয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি জেলে ছিলেন।

আদালত চত্বরের মতো একটি সুরক্ষিত এলাকায় রিভলবার নিয়ে খুনি কীভাবে প্রবেশ করলেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। মাত্র দুই মাস আগে উত্তর প্রদেশেই পুলিশ হেফাজতে গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ ও তাঁর ভাইকে হত্যা করেছিলেন দুই অস্ত্রধারী।

দিনে পারলারের ব্যবসা, রাতে ‘ম্যাডাম জেহের’ নামে দিল্লির মাদক সম্রাজ্ঞী

এপস্টেইন নথি বিতর্কে ভারতের এআই সম্মেলন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিল গেটস

ভারতের পুনেতে যৌনপল্লি থেকে ১১ ‘বাংলাদেশি’ নারী উদ্ধার

ভারত থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার ডাক

চীনা রোবটকে ‘নিজেদের উদ্ভাবন’ দাবি করে বিপাকে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশকে দেখে শিখুন কীভাবে নির্বাচন করতে হয়, ভারতের ইসিকে মমতা

কলকাতায় গায়কসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

আসামে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে, সংঘাতকালে এরা বাংলাদেশের পক্ষ নেবে: হিমন্ত

ভারতে ইসরায়েলি নারীকে ধর্ষণ, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

বিএনপির জয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সেতু পুনর্গঠনের প্রত্যাশা শান্তিনিকেতন–বিশ্বভারতীর