যুদ্ধের কারণে উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ অন্তত ৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা ৮০৩ কোটি ডলার খরচ করতে বাধ্য হয়েছে। যুদ্ধের কারণে দেশটির রাজস্ব সংগ্রহেও পিছিয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থমন্ত্রী সের্হি মার্চেনকো এই তথ্য জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইউক্রেনের অর্থমন্ত্রী সের্হি মার্চেনকো বলেছেন, এই ব্যয়-প্রাথমিকভাবে উন্নয়নের জন্য বাজেট করা ছিল। তবে এখন সেগুলো থেকে অস্ত্র ক্রয়, মেরামত এবং অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত লোকদের জরুরি সহায়তা দেওয়ার জন্য ব্যয় করতে বাধ্য হয়েছি। দেশটির সামাজিক নীতিমালা বাস্তবায়ন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, দেশটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত ২৭ লাখ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত লোক রয়েছে, যদিও প্রকৃত সংখ্যা অনেক গুণ বেশি।
মার্চেনকো জানিয়েছেন, এপ্রিলের জন্য নির্ধারিত রাজস্বের মাত্র ৬০ শতাংশ সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়েছে। কিয়েভের জরুরি ভিত্তিতে বিদেশি সমর্থন প্রয়োজন কারণ, কিয়েভকে উন্নয়ন খাতের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার যুদ্ধ খাতে ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছে।
মার্চেনকো বলেছেন, কিয়েভ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের বাহ্যিক আর্থিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করছে। বর্তমানে, অর্থ মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করছে সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে। বিশেষ করে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে।
মার্চেনকো আরও বলেছেন, ‘আমরা আমাদের অংশীদারদের আমাদের ঋণের বোঝা কমাতে একটি অংশ অনুদান হিসেবে প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। কারণ দেশে যুদ্ধাবস্থা জারি থাকায় ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ হোক আর নাই হোক ইউক্রেন ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’