হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে প্রবেশের চেষ্টা, সহস্রাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সময় গত দুই দিনে এক হাজার ১১৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে অথবা বাধা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত রোববার এ খবর জানায়। 

চলতি বছরের শুরুতে ব্রিটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের পর অধিকসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীর চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার কারণে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে অব্যাহতভাবে উত্তেজনা বাড়ছে। 

ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ গত শনিবার বলেছে, গত শুক্রবার ১৭ বার অভিযান চালিয়ে ৪৯১ জন এবং পরে আরও ২৩ বার অভিযান চালিয়ে ৬২৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। 

এদিকে এই দুই দিনে ফ্রান্স ৪১৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর ব্রিটেনে যাওয়া ঠেকিয়ে দিয়েছে। 

এ বিষয়ে ফ্রান্স গত রোববার বলেছে, তারা চ্যানেল পাড়ি দিতে উদ্যোগী হওয়া আরও ৩৪২ জনকে উদ্ধার করেছে। 

এ দিকে ব্রিটেনের অভ্যন্তরীণ বার্তা সংস্থা পিএ বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকে ছোট্ট নৌকায় করে ১৭ হাজারের বেশি লোক চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে ঢুকেছে। এ সংখ্যা ২০২০ সালের মোট সংখ্যার দ্বিগুণ। 

এ প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গেরাল্ড ডারমানিন শনিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্রিটেনের মধ্যে অভিবাসন চুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। 

এদিকে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিবাসন বিষয়ে দেখভালকারী দলের প্রধান ডান ও’মাহোনি বিপজ্জনকভাবে চ্যানেল পাড়ি দেওয়াকে অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে বলেছেন, সরকার তা প্রতিহত করতে বদ্ধপরিকর। 

 

প্রেমহীন জীবন ইউক্রেনে, পরিণয় ও সন্তানের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে যুদ্ধ

পুতিনকে রাশিয়া থেকে ধরে নিয়ে যেতে চান ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় চীনের নেতৃত্বে যুদ্ধজাহাজের যৌথ মহড়ায় রাশিয়া ও ইরান

ডেভিড-ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক চরমে, আইনজীবীর মাধ্যমে যোগাযোগ চান ব্রুকলিন বেকহাম

ইউক্রেনে ফের শক্তিশালী ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পশ্চিমাদের কঠোর বার্তা দিল রাশিয়া

শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতির মিসাইল দিয়ে ইউক্রেনে আঘাত রাশিয়ার

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অস্তিত্ব সংকটে ন্যাটো

মার্কিনরা গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে ডেনিশরা ‘আগে গুলি করবে, পরে অন্য আলাপ’

মার্কিন আগ্রাসন থেকে বিশ্ব ব্যবস্থা রক্ষায় ভারত ও ব্রাজিলের ভূমিকা চান জার্মান প্রেসিডেন্ট

বিশ্বব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে যুক্তরাষ্ট্র: জার্মান প্রেসিডেন্ট