রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ আরোপকারীদের শাস্তির মুখোমুখি করতে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে রাশিয়া। আজ রোববার রাশিয়ার এক জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, দেশটির আইনপ্রণেতারা রাশিয়ার ভূখণ্ডে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের চেষ্টাকারীদের শাস্তির মুখোমুখি করার প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার পার্লামেন্ট স্টেট ডুমার সদস্য আন্দ্রেই ক্লিশাস বার্তা আদান-প্রদান মাধ্যম টেলিগ্রামে এক বার্তায় বলেছেন, ‘স্টেট ডুমায় আমি ও আমার সহকর্মীরা এ বিষয়ে প্রাথমিক কাজ শেষ করেছি। সোমবার আমরা রাশিয়ান ফেডারেশনের ভূখণ্ডে বিদেশি রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত বিধিনিষেধমূলক ব্যবস্থা (নিষেধাজ্ঞা)) বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে সংশোধনী আনব।’
আন্দ্রেই ক্লিশাস বলেন, ‘আমরা বিষয়টি অতি দ্রুত স্টেট ডুমার মাধ্যমে সংশোধন করে আইনে পরিণত করতে উন্মুখ।’ তবে যেসব দেশ বা যারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও বাস্তবায়ন করেছে, রাশিয়া তাদের কীভাবে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনবে তা পরিষ্কার করেননি ক্লিশাস।
এর আগে গত মার্চ মাসের প্রথম দিকে রাশিয়ার আইনপ্রণেতারা ‘ভুয়া তথ্য’ ছাড়ানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ গণ্য করে আইন সংশোধন করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর একের পর এক শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
লাটভিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাস স্টোরেজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কনেক্সাস বাল্টিক গ্রিডের সিইও উলদিস বারিস শনিবার বলেন, ‘রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে আমাদের আর কোনো আস্থা নেই। বর্তমান ঘটনাগুলো আমাদের স্পষ্টভাবে দেখায় যে রাশিয়ার ওপর কোনো আস্থা রাখা উচিত নয়।’
লাটভিয়া রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উলদিস বারিস আরও বলেন, ‘১ এপ্রিল থেকে লাটভিয়া, এস্তোনিয়া ও লিথুয়ানিয়া রাশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস আর আমদানি করছে না। বাল্টিক দেশগুলো বর্তমানে লাটভিয়ায় ভূগর্ভস্থ গ্যাসের মজুত থেকে নিজেদের জ্বালানি চাহিদা মেটাচ্ছে।’