হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

যুক্তরাজ্যে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ হচ্ছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস ইরানের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। ছবি: এএফপি

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। আজ সোমবার ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (হোম অফিস) এক বিশেষ ঘোষণায় জানিয়েছে, দীর্ঘ কয়েক বছরের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন শেষে তারা আইআরজিসির সব ধরনের কার্যক্রম ও সমর্থন দেশটিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সব ধরনের তথ্যপ্রমাণ এবং গোয়েন্দা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, আইআরজিসিসহ নির্দিষ্ট কিছু সংস্থা সরাসরি বিদেশি শক্তির মদদে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিরুদ্ধে হুমকিমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে। তাই যুক্তরাজ্যের সার্বভৌমত্ব, নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করার জন্য এই সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই নতুন আদেশের ফলে যুক্তরাজ্যে আইআরজিসিকে যেকোনো উপায়ে সমর্থন করা, তাদের তহবিল জোগানো বা তাদের হয়ে প্রচারণা চালানো এখন থেকে একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্রিটেনের মাটিতে বেশ কয়েকটি হুমকির পর তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’-এর দুই সাংবাদিককে হত্যার চক্রান্ত এবং ব্রিটিশ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে একের পর এক সাইবার হামলা। এসব ঘটনার পেছনে আইআরজিসির সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে হোম অফিস।

আইআরজিসির পাশাপাশি ব্রিটিশ সরকার আরও দুটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এর একটি হলো ‘ইসলামিক মুভমেন্ট অব দ্য কমপ্যানিয়নস অব দ্য রাইট’ (আইএমসিআর)। সংগঠনটি যুক্তরাজ্যে ইহুদি নাগরিকদের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার জন্য অভিযুক্ত। আর অন্যটি হলো ‘রাশিয়ান ফেডারেশন ভলান্টিয়ার কর্পস’ (জিআরইউ)। এটি মূলত রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার একটি আন্তর্জাতিক শাখা হিসেবে পরিচিত।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের পূর্ববর্তী কনজারভেটিভ (রক্ষণশীল) সরকারের আইআরজিসিকে নিষিদ্ধ না করার পুরোনো নীতিটি পুরোপুরি বাতিল হয়ে গেল। তবে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে পারস্য উপসাগরে চলমান যুদ্ধের আবহে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এর আগে একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলে তেহরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে সরাসরি বহিষ্কার করতে পারে ইরান সরকার, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ব্রিটিশ নাগরিক ও স্বার্থ চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

স্বামীর কাছে ইয়াজিদি মেয়েদের পাঠাতেন স্ত্রী, জার্মানিতে ইরাকি দম্পতির কারাদণ্ড

ব্রিটেনে মে-জুনের তীব্র গরমে আড়াই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে

ইউক্রেনকে ৫০ হাজার আক্রমণাত্মক ড্রোন দিচ্ছে জার্মানি

কাজিন ও নিকটাত্মীয়দের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করল সুইডেন

ট্রাম্প-জামাতার কাছে জাল দলিলে জমি বিক্রি আলবেনীয় ব্যবসায়ীর

স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ২৩

ইউক্রেন ইস্যুতে শান্তি আলোচনায় অনাগ্রহী পুতিন, দনবাস দখলে দীর্ঘ যুদ্ধের ইঙ্গিত

ন্যাটোর শীর্ষ নেতাদের কেন রিভলবার উপহার দিলেন এরদোয়ান

ইউরোপে তাপপ্রবাহে মৃত্যু প্রায় ১০ হাজার, জার্মানিতেই ৫১২০

ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কার মধ্যেই ন্যাটোর সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাচ্ছেন কি পুতিন