যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছে। ১৯৮০ সালের পর দেশটিতে মূল্যস্ফীতি এই প্রথম ১০ শতাংশে পৌঁছেছে। যা দেশটি ইতিহাসে বিগত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ জানিয়েছে, এরই মধ্যে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ১ শতাংশ পৌঁছে গেছে। অথচ গত আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। কেবল তাই নয়, মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা পাউন্ডের মান কমে গেছে। এখন পর্যন্ত ০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। ডলার বিপরীতে পাউন্ডের দাম কমেছে ১ দশমিক ১৩ ডলার।
যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিভাগ আরও জানিয়েছে, দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি। বিগত এক বছরে দেশটিতে সাড়ে ১৪ শতাংশেরও বেশি বেড়ে খাদ্যদ্রব্যের দাম। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে যাওয়া ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের জন্য উদ্বেগজনক হবে। আগামী ৩ নভেম্বর ব্যাংক অব ইংল্যান্ড নতুন করে সুদহার নির্ধারণের জন্য বৈঠক বসবে। ব্যাংকের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি বলেছেন, ‘মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, ইংল্যান্ডে চলমান মূল্যস্ফীতি আগামী মাসে সবচেয়ে বেশি হবে এবং ২০২৩ সালের শুরু থেকে তা কমতে থাকবে। এর পেছনে কারণ হিসেবে তাঁর বলছেন, আগামী বছর দেশজুড়ে পণ্যের সরবরাহ চেইনে যত বাধা আছে তার সবগুলোই সরে যাবে এবং ভোক্তাদের চাহিদাও বাড়বে।