হোম > বিশ্ব > এশিয়া

বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের ১০৪ জনকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

কেএলআইএ টার্মিনাল ১ ও ২ দিয়ে গতকাল মোট ৫৪ হাজার ৯৪৭ জন বিদেশি নাগরিক আসেন, তাঁদের মধ্যে ১০৪ জনকে শনাক্ত করে একেপিএস। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের ১০৪ জন নাগরিককে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেয়নি দেশটির ইমিগ্রেশন ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (একেপিএস)। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামা জানিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে না পারার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আজ এক বিবৃতিতে একেপিএস জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ) টার্মিনাল ১ ও ২ দিয়ে মোট ৫৪ হাজার ৯৪৭ জন বিদেশি নাগরিক আসেন। তাঁদের পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং করার পর ১০৪ জনকে শনাক্ত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় মোট ৩৬২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের আগমন ও ৩৬১টি ফ্লাইটের বহির্গমনের তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রবেশে বাধা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে বেশির ভাগই বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। তাঁরা মালয়েশিয়ায় আসার সুস্পষ্ট কারণ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

এ ছাড়া আরও যেসব কারণে তাঁদের প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে—বৈধ থাকার ব্যবস্থা বা হোটেল বুকিং দেখাতে না পারা। ফেরত যাওয়ার টিকিট না থাকা। প্রবেশাধিকার পাওয়ার জন্য দেওয়া কারণগুলো সন্দেহজনক মনে হওয়া।

বিবৃতিতে একেপিএস আরও জানিয়েছে, দেশের প্রবেশপথগুলোর নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা নিশ্চিত করতে তারা কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে শুধু যেসব বিদেশি নাগরিক প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করবেন, তাঁদেরই মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।

গৃহযুদ্ধ: মিয়ানমারে স্কুলবঞ্চিত ৬৩ লাখ শিশু

থাইল্যান্ডে স্যুটকেসে মিলল কিশোরীর মরদেহ, অস্ট্রেলীয় গ্রেপ্তার

রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ এমএইচ-৩৭০ বিমানের অনুসন্ধান আরও এক বছর বাড়ল

কিম জং-উনের মায়ের অতীত কেন গোপন রাখা হয়

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অনলাইন প্রতারণা চক্রের নতুন ঘাঁটি এখন শ্রীলঙ্কা

আফগানিস্তানে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল পাকিস্তান-ভারতও

‘ড্রোন যোদ্ধা’ বানাতে ৫ লাখ সেনাসদস্যকে প্রশিক্ষণ দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

রাখাইনে ঢুকতে আক্রমণ জোরদার জান্তা বাহিনীর, তীব্র লড়াই আরাকান আর্মির

তাঁর মতো জোরে চিৎকার বিশ্বের আর কেউ করতে পারে না

মিয়ানমারের প্রতারণা কেন্দ্রগুলোতে এখনো ৫ হাজারের বেশি বন্দী