হোম > বিশ্ব > এশিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ায় ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করবে হেলিকপ্টার

দক্ষিণ কোরিয়ায় শুরু হয়েছে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হেলিকপ্টার সেবা। মোভিয়েশন ভোনায়ের নামের বেসরকারি বিমান সংস্থা প্রথমবারের মতো এই সেবা চালু করেছে। এই লক্ষ্যে তারা একটি অ্যাপও চালু করেছে, যার মাধ্যমে যাতায়াতের জন্য ভাড়ায় মিলবে হেলিকপ্টার। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম কোরিয়া টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

অত্যধিক যানজট ও ভৌগোলিক প্রতিকূলতা এড়িয়ে সময় বাঁচানোর লক্ষ্যেই এই সেবা চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ভোনায়ের প্ল্যাটফরমের নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে বুকিং করা যাত্রীদের এই সেবা প্রদান করা হবে। প্রতি এক ঘণ্টা পরপর এই সেবা চালবে। 

প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের দক্ষিণের জামসিল থেকে ইঞ্চিওন বিমানবন্দর পর্যন্ত চলবে এই হেলিকপ্টার। এই দূরত্বটুকু পাড়ি দিতে সড়কপথে দুই ঘণ্টা সময় লাগলেও আকাশপথে সময় লাগবে মাত্র ২০ মিনিট। আর জামসিল থেকে দক্ষিণ সিউলের ইয়াংজায়ে পর্যন্ত জ্যাম ঠেলে আসতে এক ঘণ্টা সময়ের পরিবর্তে এখন পাঁচ মিনিট সময় নেবে হেলিকপ্টার। প্রতিবার ভ্রমণের জন্য সামগ্রিক খরচ পড়বে ৩১৯ মার্কিন ডলার। 

মোভিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শিন মিন বলেছেন, ‘ভোনায়ের এমন একটি যুগকে স্বাগত জানায়, যেখানে এখন পর্যন্ত বড় কোম্পানিগুলোও পৌঁছাতে পারেনি।’ এরই মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের উন্নত দেশগুলো আরবান এরিয়াল মোবিলিটিতে (ইউএএম) প্রবেশ করেছে। তবে এই সেবা কোরিয়ায় তেমন পরিচিত নয়। তিনি বলেন, ‘কোরিয়ায় সর্বত্র এই সেবা চালু করার আগে উন্নত বাহক মোতায়েন, চালু হওয়া সেবার প্রচার এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আগে প্রস্তুত করতে হবে।’ 

শিন মিন আরও বলেন, ‘ছয় মাসের এই পরীক্ষামূলকভাবে সেবার মাধ্যমে আমাদের উদ্দেশ্য হলো একটি ভিত্তি স্থাপন করা। তারপর পরবর্তী সময়ে বড় পরিসেরে সেবা দেওয়া।’ গত সোমবার তাদের পরীক্ষামূলক সেবা চালু হয় বলেও জানান শিন। 

মোভিয়েশন গ্রাহকদের কেবল পরিবহনের জন্যই নয় বরং সিউল, ইঞ্চিওনের পাশাপাশি দেশের পশ্চিম উপকূল এবং কোরিয়ান সীমান্তের আশপাশের পর্যটন স্থানগুলোও ঘুরে দেখাবে। এ ছাড়া যাত্রীরা পছন্দসই গন্তব্যে মালামালও পাঠাতে পারবে বলে জানিয়েছে মোভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

রোহিঙ্গাদের জীবনকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে মিয়ানমার—আদালতের শুনানিতে গাম্বিয়া

নজিরবিহীন সমুদ্র অভিযানে জাপান, ৬ কিমি গভীর থেকে তুলবে বিরল খনিজ

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু, অবশেষে আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় মিয়ানমার

ভারতে এই প্রথম আফগান দূতাবাসের দায়িত্ব নিচ্ছেন কোনো তালেবান কূটনীতিক

‘নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না’, নানামুখী চাপে হতাশ সুশীলা কারকি

প্রতিরক্ষা জোট গঠনের পথে পাকিস্তান-সৌদি আরব-তুরস্ক

‘রাতারাতি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম জাপান—চীনের বিস্ফোরক দাবি

রাজধানী সিতওয়েসহ রাখাইনে জান্তাবিরোধী আক্রমণ জোরদার আরাকান আর্মির

চরম তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়া, দাবানল ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি

জাপানে রেকর্ডসংখ্যক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা—ঠেকাতে ‘শিশু সহায়তা’ কর্মসূচি