হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কানাডার আলবার্টা প্রদেশের স্বাধীনতাকামীদের বৈঠক

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

আলবার্টার স্বাধীনতাকামীদের অভিযোগ, কানাডার ফেডারেশনের অংশ হিসেবে থেকে তাঁরা অতিরিক্ত করের বোঝা বহন করছেন এবং যথাযথ প্রতিনিধিত্ব পাচ্ছেন না। ছবি: সংগৃহীত

আলবার্টার স্বাধীনতাকামীরা মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন—এমন খবরের পরিপ্রেক্ষিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, তিনি আশা করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখবেন।

অটোয়ায় কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীদের পাশে নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার কার্নি বলেন, ‘আমি আশা করি, মার্কিন প্রশাসন কানাডার সার্বভৌমত্বকে সম্মান করবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপকালে আমি সব সময়ই বিষয়টি স্পষ্ট করি এবং আমরা একসঙ্গে কী কী কাজ করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা করি।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, ট্রাম্প তাঁর সঙ্গে কোনো বৈঠকেই কখনো আলবার্টার স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তোলেননি।

এর আগে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার মুখ্যমন্ত্রী ডেভিড এবি অভিযোগ করেন, আলবার্টার একদল স্বাধীনতাপন্থী কর্মী ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ কাজ করেছে।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আলবার্টার স্বাধীনতার প্রশ্নে সম্ভাব্য গণভোটের জন্য স্বাক্ষর সংগ্রহকারী কর্মীদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন।

এই খবরের প্রতিক্রিয়ায় ডেভিড এবি গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, তিনি গণভোট চাওয়ার বা কানাডার ভেতরে থেকে নিজেদের সমস্যার কথা বলার বিষয়টিকে সমর্থন করেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যখন সব কানাডিয়ানকে ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত, তখন এমন কাজ করা মোটেও সমীচীন নয়।

ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভিনদেশে গিয়ে কানাডাকে ভেঙে ফেলার জন্য সাহায্য চাওয়া—এর জন্য একটি পুরোনো শব্দ আছে আর সেটি হলো “দেশদ্রোহ”।’

তেলসমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশ কানাডার অন্যান্য অংশের চেয়ে বেশি রক্ষণশীল হিসেবে পরিচিত। সেখানে স্বাধীনতার জন্য শক্তিশালী আন্দোলন সক্রিয় আছে।

দীর্ঘদিন ধরে ওই আন্দোলনের নেতারা অভিযোগ করে আসছেন, কানাডার ফেডারেশনের অংশ হিসেবে থেকে আলবার্টার বাসিন্দারা অতিরিক্ত করের বোঝা বহন করছেন এবং যথাযথ প্রতিনিধিত্ব পাচ্ছেন না।

মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলবার্টার স্বাধীনতাকামীদের বৈঠকের বিষয়ে সিএনএনের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করে থাকেন। তবে ওই বৈঠকে কোনো ধরনের সমর্থন বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

জুলাইয়ের মধ্যেই ফতুর হয়ে যাবে জাতিসংঘ—মহাসচিবের সতর্কবার্তা

ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের অভিযোগে মামলা

গাজায় ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য মেনে নিল ইসরায়েল

প্রতি মাসে ৫০ হাজার রুশ সেনা মারতে চায় ইউক্রেন

বুলেটের বদলে বই—সিরিয়ার শিশুদের মুখে হাসি ফেরাচ্ছে ‘সাংস্কৃতিক বাস’

মার্কিন হামলা হলে এবার ইরানের প্রতিক্রিয়া কেন ভিন্ন হতে পারে

ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নারীর ‘মৌলিক অধিকার’—ভারতে ঐতিহাসিক রায়

সিরিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বিদ্রোহী কুর্দিরা, চুক্তি স্বাক্ষর

ইরানে কমান্ডো অভিযানের কথাও ভাবছেন ট্রাম্প

মদ্যপান ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, যুগলকে ১৪০ বার দোররা