হোম > বিশ্ব > এশিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চান না, দেশে ফিরতে চান আরও ৩ ইরানি নারী ফুটবলার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

৮ মার্চ ফিলিপাইনের বিপক্ষে খেলার সময় মোনা হামুদি। ছবি: ইপিএ

অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার আবেদন প্রত্যাহার করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইরানের নারী ফুটবল দলের আরও তিন সদস্য। অস্ট্রেলিয়া সরকার তাঁদের মানবিক ভিসা প্রদান করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁরা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি মানবাধিকারকর্মীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এই তিন ফুটবলার হলেন ফুটবলার মোনা হামুদি, জোহরা সারবালি এবং কারিগরি দলের সদস্য জোহরা সুলতান মেশকেহকার। এর আগে গত বুধবার দলের আরেক সদস্য মোহাদ্দেসেহ জোলফিও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ফলে প্রাথমিকভাবে আশ্রয় চাওয়া সাতজনের মধ্যে এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় রয়ে গেলেন।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তাঁর সরকার এই নারীদের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সুযোগ নিশ্চিত করেছিল। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলীয় হিসেবে আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত যে এই নারীরা আমাদের দেশে এসে প্রকৃত পছন্দের সুযোগ পেয়েছিলেন। সরকার সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলেও, যে প্রেক্ষাপটে তাঁরা এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তা পরিবর্তন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।’

এদিকে, ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ এই ঘটনাকে ‘দেশপ্রেমের জয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া সরকার এ ক্ষেত্রে ‘ট্রাম্পের সাজানো মাঠে খেলছে’। তাসনিম নিউজের দাবি, ওই তিন নারী ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ ও প্রলোভন’ উপেক্ষা করে পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে দলের বাকি সদস্যদের সঙ্গে যোগ দিতে পথে রয়েছেন।

২ মার্চ এশিয়ান কাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে ইরানের জাতীয় সংগীতের সময় ফুটবলাররা নীরব ছিলেন। এ ঘটনার পর ইরানি সংবাদমাধ্যমে তাঁদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। এরপরই ব্রিসবেনের একটি হোটেল থেকে পাঁচ খেলোয়াড় পালিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে আশ্রয় চান। তবে আসরের শেষ দুটি ম্যাচে খেলোয়াড়েরা জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, দলের সঙ্গে থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের চাপের মুখেই তাঁরা এটি করতে বাধ্য হন।

এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর গত মঙ্গলবার রাতে ইরান দলের বাকি সদস্যরা অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করেন। তবে যাঁরা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করেছেন, তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।

এক যুদ্ধের ক্ষত নিয়ে আরেক যুদ্ধে আটকে গেল মধ্যপ্রাচ্যের ছোট্ট এই দেশ

ট্রাম্প ও তাঁর মিত্ররা ছাড়া হরমুজ প্রণালি সবার জন্য খোলা: ইরান

‘এপস্টেইন গ্যাং’ ৯/১১-এর মতো ঘটনা ঘটিয়ে ইরানকে দায় দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে: লারিজানি

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলে মার্কিন কূটনীতিকদের ভবন

আরএসএসের ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন সরকারি সংস্থার

নিশানায় তেল-গ্যাসের চেয়েও জরুরি এক বস্তু, অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে মধ্যপ্রাচ্য

ইরানে আরও তিন সপ্তাহ হামলা চালাবে ইসরায়েল

চীন–রাশিয়া ইরানকে ‘ভালো রকম’ সামরিক সহায়তা দিচ্ছে: আব্বাস আরাগচি

ইরান যুদ্ধের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন ট্রাম্প: মার্কিন সিনেটর

কিউবায় ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির কার্যালয়ে নজিরবিহীন ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ