বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে আরও দুর্বল হওয়ায় এতে বাংলাদেশের জন্য কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
তবে এর প্রভাবে রাতের দিকে আরও কমতে পারে তাপমাত্রা। এ ছাড়া বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, ভয় কেটে গেলেও বাড়তি সতর্কতার জন্য বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে এখনো ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বজায় রাখতে বলা হয়েছে। আর নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তবে এর প্রভাবে রোববার ও আগামীকাল সোমবার দেশের বেশির ভাগ জায়গায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বাড়তে পারে শীতের প্রকোপ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হলেও সাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরার ট্রলার বা নৌকাগুলোকে নিরাপদ দূরত্বে উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। গভীর সাগরে যেতে সবাইকে নিষেধ করা হয়েছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর অনেক বেশি উত্তাল রয়েছে। গভীর নিম্নচাপটির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।