হোম > পরিবেশ

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: ৩ দিনে সুন্দরবনে ৯৬ হরিণসহ ১০১ প্রাণীর মৃতদেহ উদ্ধার 

খুলনা প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি। বনের বিভিন্ন স্থান থেকে আরও ৫৭টি হরিণ এবং চারটি শূকরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে ৩৯টি হরিণ এবং একটি শূকরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ নিয়ে মোট ১০১টি বন্যপ্রাণীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হলো। এ ছাড়া জীবিত ১৮টি হরিণ ও একটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। 

সুন্দরবনে বন্য প্রাণীর মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। আজ বৃহস্পতিবার খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক মিহির কুমার দো এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, রিমালের আঘাতে সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বন বিভাগের ফরেস্ট স্টেশন অফিস, ক্যাম্প ও ওয়াচ টাওয়ারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বনের ভেতরে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যোগাযোগের মাধ্যম ওয়্যারলেস টাওয়ারও। মিষ্টি পানির পুকুর তলিয়েছে লবণাক্ত পানিতে। 

খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো বলেন, রিমালের তাণ্ডবে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ৯৬টি হরিণ এবং চারটি শূকর মিলিয়ে সুন্দরবনের ১০১টি বন্যপ্রাণীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত হরিণগুলো কটকা অভয়ারণ্য এলাকায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভেসে আসা ১৮টি জীবিত হরিণ ও একটি অজগর উদ্ধার করা করা হয়েছে। যা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দফায় দফায় উচ্চ জোয়ারে সুন্দরবনের সব নদী-খাল উপচে বনের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। জোয়ারের পানি সুন্দরবনের গহিনে উঠে যাওয়ায় হরিণগুলো সাঁতরে কূলে উঠতে না পেরে মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বনের অবকাঠামো বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিমাণ ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার ওপরে হবে।

ঢাকার তাপমাত্রা বাড়তে পারে আজ

বাংলা নববর্ষের আগে তাপমাত্রা উঠবে ৩৬ ডিগ্রি

চার জেলায় আঘাত হানতে পারে ৬০ কিলোমিটার গতির কালবৈশাখী

ঢাকাসহ ৫ বিভাগে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখীর আভাস

দানা বাঁধছে ‘সুপার এল নিনো’—খরা আর গরমের শঙ্কা বাংলাদেশেও

দেশের ৮ বিভাগেই আজ হতে পারে কালবৈশাখী, তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস

যেসব অঞ্চলে আজকের রাত ঝোড়ো হাওয়া–বৃষ্টির

রেকর্ড গরম–তাপপ্রবাহ–খরা–বন্যার বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

সারা দেশে আজও আঘাত হানতে পারে কালবৈশাখী, কমবে তাপমাত্রা

হাঙরের শরীরে কোকেনসহ চার ধরনের নেশাজাতীয় উপাদান মিলেছে