হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের থিসিস জুরি চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত

শেষ বর্ষের ডিজাইন জুরি একজন স্থাপত্য বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ধরনের জুরিগুলো একজন শিক্ষার্থীর স্থপতি হওয়ার শেষ ধাপ এবং পেশাগত জীবনের প্রস্তুতির প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই জুরির মাধ্যমে তাঁদের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং নকশার গভীর চিন্তাশক্তির যাচাই হয়। 

গত ১৯ অক্টোবর নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের আয়োজনে শেষ বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের থিসিস জুরি শুরু হয়েছে, যা আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত নকশা উপস্থাপন এবং আলোচনা চলবে। 

জুরির প্রথম দিন (১৭ অক্টোবর) অত্যন্ত সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুরি চলাকালীন সময় বিশিষ্ট স্থপতি ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা মূল্যবান মতামত এবং দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—বুয়েটের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এস এম নাজমুল ইমাম, স্থপতি রফিক আজম, স্থপতি নাজমুল হক বুলবুলসহ অন্যান্য প্রথিতযশা স্থপতিরা। 

ছাত্রছাত্রীরা উদ্ভাবনী এবং প্রায়োগিক নকশা উপস্থাপন করেন। যার মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ট্রান্সপোর্ট সিমুলেশন এবং স্মার্ট সিটি ডিজাইনের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার উল্লেখযোগ্য ছিল। এই নকশাগুলো উপস্থিত সকলের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছে এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় স্থপতিদের প্রতিভার প্রমাণ বহন করে। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—ড. সাজ্জাদ হোসেন, ডিন, স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সেস; ড. নন্দিনী আওয়াল, বিভাগীয় প্রধান এবং স্থাপত্য বিভাগের অন্যান্য অনুষদ সদস্য। তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের নকশার উৎকর্ষতা সম্পর্কে মতামত প্রদান করেন।

এনএসইউতে ফুসফুসের ক্যানসার সচেতনতাবিষয়ক সেমিনার

জবি ছাত্রদল নেতা জয়কে বহিষ্কারসহ ৩ দাবি, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা ‎

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইইই প্রোগ্রামের তৃতীয়বার অ্যাক্রেডিটেশন নবায়ন

এশিয়ায় প্রথম, বিশ্বে ষষ্ঠ গ্রিন ইউনিভার্সিটির রোভার

এআইয়ের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ অর্জন করল তিন ব্রোঞ্জ

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিন

২৯ মাস পর জার্মানির ভিসা পেলেন রিংকী

রাবির ইংরেজি বিভাগে এমএ প্রোগ্রামে ভর্তি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

ক্যাম্পাসে অছাত্রদের রাজনীতি বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর হতে বললেন জবি অধ্যাপক