সাক্ষাৎকার

পাবিপ্রবি দেশের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। দায়িত্ব পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, স্মার্ট ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলফি সানি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আপনার প্রধান ভিশন কী?

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মানবিক, আধুনিক এবং মৌলিক গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, নৈতিক শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য পরিচিত হবে। এ ছাড়া গুণগত শিক্ষা ও বাস্তবমুখী জ্ঞানচর্চা নিশ্চিত করা; যেখানে জ্ঞান শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; নৈতিকতা এবং দক্ষতার মধ্য দিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখবে।

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোথায় দেখতে চান?

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা এবং উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক, এটা চাই। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি

পাক, যেখান থেকে পাস করে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা বিশ্বমানের দক্ষতা এবং নেতৃত্বের উদাহরণ তৈরি করতে পারে।

শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে কী কী উদ্যোগ নিতে চান?

অবশ্যই পরিকল্পনা আছে। আউটকাম-বেজড এডুকেশন, আধুনিক ল্যাব, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, ডিজিটাল লাইব্রেরি এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ আমরা জোরদার করতে চাই। এ ছাড়া গবেষণাকে শুধু একাডেমিক কাজ হিসেবে নয়, বাস্তব সমস্যার সমাধানের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ বাড়াতে কী কী উদ্যোগ নেবেন?

আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বাস্তব দক্ষতাও অর্জন করুক। এ জন্য বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইন্টার্নশিপ, যৌথ গবেষণা, ক্যারিয়ার নেটওয়ার্কিং ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করা হবে, যার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারে প্রবেশ করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে।

আইটি ও স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়তে আপনার পরিকল্পনা কী?

আমাদের লক্ষ্য একটি প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যেখানে প্রশাসনিক সেবা, একাডেমিক কার্যক্রম, লাইব্রেরি, উপস্থিতি এবং তথ্যব্যবস্থা প্রযুক্তিনির্ভর হবে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা যেন এক ক্লিকেই প্রয়োজনীয় সেবা পায়, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতি ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

বিশ্ববিদ্যালয় হবে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার জায়গা—সংঘাতের নয়। আমি বিশ্বাস করি, দলীয় প্রভাব বা বিভাজনের কারণে শিক্ষার পরিবেশ যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। শিক্ষার্থীদের

জন্য নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক ক্যাম্পাস নিশ্চিত করাই হবে প্রধান অগ্রাধিকার।

শিক্ষার্থীরা তাঁদের মতামত প্রশাসনের কাছে কীভাবে তুলে ধরবেন?

আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীরাই হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। তাই নিয়মিত ওপেন ডায়ালগ, ফিডব্যাক সিস্টেম, প্রতিনিধি সভা এবং ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মতামত সরাসরি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে যুক্ত করা হবে।

পাঁচ বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়কে আপনি কোথায় দেখতে চান?

একটি প্রযুক্তিনির্ভর, সবুজ, গবেষণাসমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিকভাবে সংযুক্ত আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই; যেখানে শিক্ষার্থীরা গর্ব করে বলবে ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শুধু শিক্ষা দেয়নি, মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলেছে।’

শিক্ষার্থীদের জন্য আপনার মূল বার্তা কী?

শিক্ষার্থীদের স্বপ্নই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন, আর সেই স্বপ্নই বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি। শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে; যেন জ্ঞান, মানবিকতা ও সততা দিয়ে সমাজকে আলোকিত

করা যায়। বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং ভালো মানুষ হওয়াই সবচেয়ে বড় অর্জন।

বিশ্বের দক্ষিণ অঞ্চলের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে একত্র করতে চায় চীন

শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদুল আজহা

পাঠকবন্ধু পুরস্কৃত করল ১২ সংগঠককে

দেশব্যাপী ধর্ষণ ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে আইএসইউ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রেসিডেন্সি ই-স্পোর্টস ম্যানিয়া সিজন-১ সফলভাবে অনুষ্ঠিত

ঈদের ছুটির পর জবিতে অনলাইন ক্লাস বন্ধের সিদ্ধান্ত

জাবি ক্যাম্পাসে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় নারী নিরাপত্তা মঞ্চের মৌন মিছিল

চবিকে হারিয়ে ভলিবল ‘চ্যাম্পিয়ন’ শিরোপা জিতল ঢাবি

ঈদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভাগীয় শহরে যাবে জবির বাস

জাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে জবি শিক্ষার্থীদের মৌন মিছিল