হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আত্মহত্যা রোধে কাউন্সেলিং প্রয়োজন

মো. মেহেরাব হোসেন রিফাত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দিন দিন আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। বরিশালের উচ্চশিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দুটি আত্মহত্যার ঘটনা আমাদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে কলেজটির দুজন শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। দুটি ঘটনার মধ্যে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ২০২৩-২৪ সেশনের একজন এবং জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ২০২১-২২ সেশনের আরেকজন শিক্ষার্থী। অল্প সময়ের ব্যবধানে এমন ঘটনা নিঃসন্দেহে চরম উদ্বেগ ও আশঙ্কার কারণ।

আত্মহত্যা করা কখনোই সমস্যার সমাধান হতে পারে না। পড়াশোনার অধিক চাপ, পারিবারিক প্রত্যাশা, আর্থিক সংকট, সম্পর্কজনিত জটিলতা, ক্যারিয়ার অনিশ্চয়তা এবং সামাজিক চাপ তাদের প্রতিনিয়ত তাড়িত করে। অনেক সময় এসব চাপ ও দুশ্চিন্তা প্রকাশ করার মতো নিরাপদ জায়গা বা বিশ্বাসযোগ্য কাউকে তারা খুঁজে পায় না। ফলে হতাশা, একাকিত্ব ও আত্মগ্লানি ক্রমে তাদের গ্রাস করে এবং কেউ কেউ ভুল সিদ্ধান্তের পথে পা বাড়ায়।

এর পরিণতিতে অকালেই ঝরে যায় একেকটি সম্ভাবনাময় তরতাজা প্রাণ। এতে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হয়।

এমন ধরনের বাস্তবতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত ও কার্যকর মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং ব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত জরুরি। পেশাদার কাউন্সেলরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ, গোপনীয় পরামর্শসেবা, গ্রুপ কাউন্সেলিং এবং সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা খোলামেলাভাবে প্রকাশের সুযোগ পাবে। এসবের মধ্য দিয়ে মানসিক চাপ অনেকাংশে কমবে এবং আত্মহত্যার প্রবণতা প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে আশা করা যায়।

লেখক, শিক্ষার্থী, বিএম কলেজ, বরিশাল

নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

বিলাইছড়ি পাহাড়ে আনন্দময় বিজ্ঞানের সুর

ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর ৬২১ কলেজের মধ্যে সেরা

উৎসবমুখর পরিবেশে জবিতে উদ্‌যাপিত হচ্ছে সরস্বতীপূজা

রমজান উপলক্ষে ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত জবির‎

আইইউবির ২৬তম সমাবর্তন: ছয় শিক্ষার্থী পেলেন স্বর্ণপদক

নিকাব বিতর্কে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ইউএপির দুই শিক্ষক চাকরিচ্যুত, ক্লাস বন্ধ

বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড পেল জবি শিক্ষার্থীর ‘হোয়াট ইফ’

বাবা বেঁচে থাকলে স্বর্ণপদক দেখে কেঁদে ফেলতেন