হোম > শিক্ষা

এনটিআরসিএ-এর ১৪ তম নিবন্ধনধারী ১৮০ শিক্ষক নিয়োগ প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৪ তম নিবন্ধনধারী ১৮০ জনকে নিয়োগ দিতে কেন সুপারিশ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আজ রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। ১৪ তম নিবন্ধনধারী মো. জাকির হোসেনসহ ১৮০ জনের দায়ের করা রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি হয় আজ।

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টেও আইনজীবী মোহাম্মদ ফারুক হোসেন। তিনি বলেন,  ‘আপিল বিভাগের একটি রায়ের আলোকে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেতে এই রিট আবেদন করেছেন ১৮০ জন নিয়োগপ্রার্থী। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।’

রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যানসহ মোট সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, এনটিআরসিএর ১২ ও ১৩ তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হন ১৭ হাজার ২৫৪ জন চাকরি প্রার্থী। তাদের মধ্যে ২ হাজার ২০৭ জনকে নিয়োগ দিতে আপিল বিভাগের আদেশ বাস্তবায়ন করে এনটিআরসিএ। ১৪ তম পরীক্ষায় এই ১৮০ জনও উত্তীর্ণ হন। অথচ তাঁদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। আপিল বিভাগের সাম্প্রতিক নির্দেশের আলোকে রিট আবেদনকারীরা তাই রিটটি করেছেন। ১৪ তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়োগ না দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলার দিয়ে এদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে বলেও রিট আবেদনে বলা হয়।
 

ডিআইইউতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে পাঠকবন্ধুর শীতবস্ত্র বিতরণ

এআইইউবিতে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদল

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে চলছে ‘অ্যাডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২৬’

মন বসছে না পড়ার টেবিলে? জেনে নাও কারণ

উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি

মহাকাশে চীনা অভিযাত্রীদের সাম্প্রতিক গবেষণা

মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা সম্মেলনে ড্যাফোডিলের মো. সবুর খান

২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা, সূচি প্রকাশ

দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিএটির ৩৫ বছরে পদার্পণ

ডিআইইউ পাঠকবন্ধুদের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ার অঙ্গীকার