পেশাগত উন্নয়ন মানে নিজের ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ সফলতার জন্য সচেতন প্রস্তুতি। এখন শেখার সুযোগ অনেক—সশরীরে ক্লাস, লাইভ ভার্চুয়াল প্রোগ্রাম কিংবা নিজস্ব সময়ভিত্তিক কোর্স। এত বিকল্পের ভিড়ে সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়া সত্যিই কঠিন।
তবে লাইভ লার্নিংয়ের বিশেষ আকর্ষণ হলো, এর আন্তক্রিয়ামূলক পরিবেশ। এতে থাকে আলোচনা, শ্রেণিকক্ষের অনুশীলনসহ নানা কার্যক্রম, যা আপনাকে সক্রিয় ও মনোযোগী রাখে। সশরীরে প্রোগ্রামে অংশ নিলে নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগও তৈরি হয়। তাই সহপাঠীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগটি কাজে লাগান।
মুক্তমনা হোন
লাইভ লার্নিং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে শেখার সুযোগ দেয়। অনলাইন হোক বা ক্যাম্পাসে—আপনি ভিন্ন অঞ্চল ও পটভূমির মানুষের সঙ্গে যুক্ত হবেন। মতবিনিময় করুন, অভিজ্ঞতা ভাগ করুন এবং অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে শেখার চেষ্টা করুন। এতে আপনার চিন্তার পরিধি বাড়বে।
সম্পৃক্ত থাকুন
গ্রুপ ওয়ার্ক, শ্রেণি আলোচনা বা তাত্ত্বিক পাঠ—সব ক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুন। নীরব দর্শক হয়ে নয়, অংশগ্রহণকারী হিসেবে যুক্ত হোন। এতে শেখা আরও গভীর হবে, সময়ের সঠিক ব্যবহার হবে এবং সহপাঠীদের সঙ্গে সম্পর্কও দৃঢ় হবে।
নিজেকে সময় দিন
পেশাগত উন্নয়ন প্রোগ্রামে যুক্ত হওয়া মানে শেখার জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করা। তাই এ সময়টুকু নিজের জন্য রাখুন। দৈনন্দিন ব্যস্ততা থেকে সাময়িক দূরে থেকে শেখা বিষয়গুলো নিয়ে ভাবুন। কর্মক্ষেত্রে ফিরে গিয়ে কীভাবে তা প্রয়োগ করবেন, সে পরিকল্পনাও করে নিন।
অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিন
সশরীরে বা অনলাইনে, যেভাবেই অংশ নিন, এটি একটি ভিন্নধর্মী শিক্ষার অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রোগ্রামে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, বিশ্রামাগার, প্রাতরাশ ও মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা এবং পেশাজীবীদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ থাকে। এই অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিন এবং পুরোটা উপভোগ করুন।
শেখা ও আত্মোন্নয়নের জন্য সময় বের করা মানে নিজেকে এক ধাপ এগিয়ে রাখা। আপনি যে সময় ও শ্রম বিনিয়োগ করছেন, তার মূল্য বুঝতে পারলে শেখার অভিজ্ঞতা আরও অর্থবহ হবে। আর সে শেখাই কর্মক্ষেত্রে আপনার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করবে।
সূত্র: ডিসিই, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি