যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) ‘এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬’-এ বাংলাদেশের সেরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। গত ২৩ এপ্রিল টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিংয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
র্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ায় ৪০১ থেকে ৫০০-এর মধ্যে অবস্থান নিয়েছে দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। যার মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রয়েছে শুধু যবিপ্রবি।
অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ৩০১ থেকে ৩৫০-এর মধ্যে যৌথভাবে শীর্ষে (বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মধ্যে) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (এনএসইউ) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)।
প্রতিষ্ঠানটির ‘২০২৬ সালের এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়’ তালিকায় বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে স্থান পেয়েছে ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়। তার মধ্যে যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে যবিপ্রবি।
টিএইচই র্যাঙ্কিং নিয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিংয়ে যবিপ্রবি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান করে নেওয়ায় যবিপ্রবির সব শিক্ষক-গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করি, মর্যাদাপূর্ণ এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
যবিপ্রবির উপাচার্য আরও বলেন, শুধু গবেষণা ও প্রকাশনা বৃদ্ধিতে নয়, দেশের উন্নয়ন ও যেকোনো সংকট মোকাবিলায় কাজে লাগে এমন ইতিবাচক গবেষণা বৃদ্ধি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মানসম্মত বিভিন্ন পারফরম্যান্স সূচক ব্যবহার করে পাঠদান, গবেষণার পরিবেশ, গুণগত গবেষণা, ইন্ডাস্ট্রিতে সংযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সম্ভাবনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিং করে থাকে।
প্রসঙ্গত, উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে আধুনিক জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাজিয়ালী মৌজায় ৩৫ একর জায়গাজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। তবে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে যবিপ্রবিতে ৮টি অনুষদের অধীনে ২৭টি ডিপার্টমেন্টে ৬ হাজার ২১৩ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।