চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিতে একটি অসাধু চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক এবং নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছে বোর্ড।
আজ শনিবার এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এতে স্বাক্ষর করেন ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।
এতে বলা হয়, প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একটি অসাধু চক্র শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে।
আরও বলা হয়, ২০ এপ্রিল পুলিশের সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ (সিটিটিসি) কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ‘এসএসসি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস গ্রুপ’ নামক একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি বিশেষ দল ২৩ এপ্রিল ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার জিরাবো টাঙ্গুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অবৈধ আর্থিক লাভ এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে প্রশ্নফাঁসের মিথ্যা প্রচার চালিয়ে চলমান পরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।
সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত গুজব, অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সকলকে সচেতন থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
এদিকে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে তথ্য যাচাই না করে এনসিপির এমন বিবৃতি নিন্দনীয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এহছানুল হক মিলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলা হয়। ড. মিলনের পক্ষে পেজের অ্যাডমিন পোস্টটি করেন বলে উল্লেখ করা হয়।