বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) দুই দিনব্যাপী রোবো কার্নিভাল ২০২৬ উদ্দীপনা ও প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জমকালো পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে।
এই আসরে শিক্ষার্থীরা মোট সাতটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাঁদের সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তি দক্ষতা প্রদর্শন করেন। নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড এবং বুয়েট রোবোটিকস সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
প্রতিটি ক্যাটাগরিতে শীর্ষ তিনজন বিজয়ীকে নগদ অর্থ এবং ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল করিম। আরও উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এ বি এম হারুন অর রশিদ এবং অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বুয়েট উপাচার্য বলেন, ‘বুয়েট সব সময় দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার এ ধরনের সুযোগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দেশের ভিত্তি আরও অনেক মজবুত করবে। তিনি আরও বলেন, সরকার, বুয়েট অ্যালামনাই এবং অন্যান্য দাতা সংস্থা এভাবে এগিয়ে এলে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্বমঞ্চে আরও বড় ধরনের সাফল্য বয়ে আনবে এবং বাংলাদেশকে প্রযুক্তি অঙ্গনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।’
বিপিডিবির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘তরুণদের উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা সমাধানে রোবোটিকস এবং অটোমেশন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ইন্ডাস্ট্রি ও বুয়েটের যৌথ এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’
বুয়েট রোবো কার্নিভ্যাল ২০২৬ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগই শুধু দেয়নি; বরং দেশীয় উদ্ভাবন এবং রোবোটিক্সের চর্চাকে একটি উৎসবমুখর প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।