মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে অভিষেকের পর ইলন মাস্ক এখন বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নার’ হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে—এক ট্রিলিয়ন ডলার আসলে কত বড় অঙ্কের টাকা? বা এই অর্থ দিয়ে কী করা সম্ভব?
চলুন গাণিতিক হিসেব ও কিছু উদাহরণের মাধ্যমে এই অবিশ্বাস্য অঙ্কের ধারণাটি জেনে নেই—
এক ট্রিলিয়ন হলো এক হাজার বিলিয়নের সমান। সংখ্যার পিঠে লিখতে গেলে ১-এর পর ১২টি শূন্য বসালে এক ট্রিলিয়ন (১,০০০, ০০০,০০০, ০০০) হয়।
এক ট্রিলিয়ন ডলার হলো ইউরোপের উন্নত দেশ সুইজারল্যান্ডের প্রায় পুরো অর্থনীতির (জিডিপি) সমান।
একজন সাধারণ মার্কিন শ্রমিকের ১ ট্রিলিয়ন পাউন্ড আয় করতে হলে প্রায় ১ কোটি ৬৩ লাখ (১৬.৩ মিলিয়ন) বছর সময় লাগবে।
বিশ্বখ্যাত রাইড শেয়ারিং জায়ান্ট উবারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ, প্রায় ৭টি উবার কোম্পানি একসঙ্গে কিনলে তা ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সমান হবে।
বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ক্রীড়া দল বা স্পোর্টস টিম হলো ডালাস কাউবয়েজ, যার আনুমানিক মূল্য ১ হাজার ৩০০ কোটি (১৩ বিলিয়ন) ডলার। এক ট্রিলিয়ন ডলার দিয়ে এইরকম প্রায় ৭৭টি স্পোর্টস টিম কিনে নেওয়া সম্ভব!
ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের মোট ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলারের চেয়েও কম বলে ধারণা করা হয়। সেই হিসেবে, ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক ইলন মাস্ক ব্রিটেনের রাজার চেয়ে অন্তত ১ হাজার গুণ বেশি ধনী!