হোম > অর্থনীতি > করপোরেট

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচিতে চার লাখের বেশি বই দিয়েছে বিকাশ

বিজ্ঞপ্তি

ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশের শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস তৈরিতে ১২ বছর ধরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচিতে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫২০টি বই দিয়েছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ। আলোকিত মানুষ তৈরির যাত্রার ধারাবাহিকতায় আজ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের হাতে আরও ৪০ হাজার বই হস্তান্তর করা হয়।

বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব.) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে বইগুলো হস্তান্তর করেন।

২০১৪ সাল থেকে দেশজুড়ে পরিচালিত বইপড়া কর্মসূচিতে বিকাশের দেওয়া বইগুলো প্রায় ৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হয়েছে, যা থেকে ৩৪ লাখের বেশি পাঠক উপকৃত হয়েছে। এ বছর যুক্ত হওয়া বইগুলো দেশের ৩৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে নতুন ৮০টি স্কুল।

কয়েক দশক ধরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বইপড়া কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পাঠ্যক্রমের বাইরে দেশি ও বিদেশি সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ বইগুলোর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের বইপড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের মনন গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বইপড়া কার্যক্রমকে আরও জনপ্রিয় করতে সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য সমসাময়িক বিষয়ের ওপর কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে বই ও সনদ দেওয়া হয়।

আলোকিত জাতি গঠনে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই উদ্যোগকে আরও প্রসারিত ও কার্যকর করতে এক যুগের বেশি সময় ধরে বইপড়া কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত আছে বিকাশ।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ভালো পরিবেশ পারে আলোকিত মানুষ তৈরি করতে। জ্ঞানচর্চা, পাঠাভ্যাস তৈরি ও আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বিকাশ। এই ধরনের উদ্যোগের জন্য দুই প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের মৈত্রী অনন্য, যা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিকশিত মানুষই বিকশিত দেশ গড়বে। এই বিকশিত হওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে আরও বই পড়া এবং জ্ঞান অর্জন করা। টেকসই সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষিত ও মননশীল প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে দীর্ঘ সময় ধরে বিকাশ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই বইপড়া কর্মসূচিতে যুক্ত রয়েছে।

বই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান ও যুগ্ম পরিচালক (প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন; বিকাশের রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের হেড ও ইভিপি হুমায়ুন কবির, ভাইস প্রেসিডেন্ট সায়মা আহসানসহ অনেকে।

ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে চলছে গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

রবি আজিয়াটার নতুন সিএফও রুহুল আমিন

ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে ‘পেমেন্ট পাসকি’ আনল ভিসা

পোশাককর্মীদের জন্য গ্রামীণফোন ও আপন বাজারের যৌথ উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস উপলক্ষে এনসিসি ব্যাংকের ঋণ বিতরণ

রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও রূপালী ব্যাংকের চুক্তি

রবি এলিট পার্টনারস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল ২০ প্রতিষ্ঠান

দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হলো বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন

বিশ্ব এমএসএমই দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন সাতজন উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দিল প্রাইম ব্যাংক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ৯০ জন নারী উদ্যোক্তা পেলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আমরাই তারা’ প্রশিক্ষণ