হোম > অর্থনীতি

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অনেক সরকারি কাজ ব্যবসায়ীদের দেওয়া হবে: আমীর খসরু

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আমীর খসরু। ফাইল ছবি

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সরকারের আওতাধীন ব্যবসা–বাণিজ্যের অনেকগুলোই ব্যবসায়ীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আমীর খসরু বলেছেন, ‘আমি যখন বাণিজ্যমন্ত্রী, তখন ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইউডি (ইউটিলাইজেশন ডিকলারেশন) দেওয়ার দায়িত্ব ব্যবসায়ীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, যা মূলত সরকারের কাজ। এতে পোশাক খাতের আমদানি–রপ্তানি অনেক সহজ হয়ে গেছে। যদিও ওই সময় ব্যারেজ থেকে অনেক বাধা এসেছিল। আমি বেগম জিয়ার অনুমোদন নিয়ে এই কাজ করেছিলাম। আমরা সরকারে গেলে এমন অনেকগুলো সরকারি কাজ আপনাদের হাতে দেওয়া হবে। যেগুলো আপনারা নিজেদের মতো করতে পারবেন।’

আজ সোমবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর আয়োজিত এক শোকসভায় আমীর খসরু এসব কথা বলেন। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশ (আইসিসিবি) ও দেশের ১৭টি শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আজ এ সভার আয়োজন করা হয়।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বেগম জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, বাণিজ্য প্রসারে তাঁর অবদান ও রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষতার কথা স্মরণ করা হয়।

আইসিসিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই), বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই), মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি), চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই), তৈরি পোশাকমালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ), ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই), নিট পোশাকমালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ এবং লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলএফএমইএবি), বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএমএ) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি ও সহসভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানসহ আরও অনেকে উস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এ সময় বক্তারা জানান, খালেদা জিয়ার শাসনামলে দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি একটি শক্ত অবস্থানে ছিল। বিশেষ করে, কাফকো সার কারখানায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগকে তৎকালীন সময়ের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করা হয়। স্মরণসভায় বিশেষভাবে আলোচিত হয় শিক্ষা খাতে তাঁর সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলো।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বেগম জিয়ার চলে যাওয়াটা আমরা মেনে নিতে পারছি না। তিনি জীবনের শেষপর্যন্ত সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন। যে মামলায় তিনি কারাগারে গিয়েছিলেন, সেটা কোনো মামলাই না। এটা মামলা হতেই পারে না। তারও মামলা দেওয়া হয়েছিল এবং তাঁকে ১০ বছর সাজা দিয়েছিল। অথচ ট্রায়াল জাজ এই মামলায় তাঁকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছিল; যা হাইকোর্ট ১০ বছর করেছে। এটা বলছি এ কারণে যে, হায়ার জুডিশিয়ারির কী অবস্থা দেখেন।’

মাহবুবুর রহমান বলেন, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন, মুক্তবাজার অর্থনীতির সম্প্রসারণ ও বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের সংযুক্তি বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া যেসব সংস্কারমূলক নীতি নিয়েছিলেন, তা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। ‘বাংলাদেশ ছাড়া আমার আর কোনো ঘর নেই’—বেগম জিয়ার এই অমোঘ উক্তি ও গভীর দেশপ্রেম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা আশা করছি, রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও সহায়তায় আগামী দিনে আমরা একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উৎপাদনমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব। ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে আমরা সে বিষয়ে সহায়তার অঙ্গীকার করছি।’

বিজিএমইএর সহসভাপতি এনামুল হক বলেন, ‘আমাদের হাতে ইউডি দেওয়ার সুযোগ বেগম জিয়াই করে দিয়েছিলেন। এ জন্য তাঁর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’

বিএপিআইয়ের সভাপতি আব্দুল মোক্তাদির বলেন, ‘ওষুধশিল্পে যা কিছু উন্নতি, এর জন্য তাঁর কাছে আমরা ঋণী।’

ড. মঈন খান বলেন, ‘আমরা রাজনীতিবিদেরা মাঝে মাঝে ভাবি, আমরা বুঝি দেশ চালাই। কিন্তু এখানে এসে বুঝতে পারছি, বাংলাদেশ চালান ব্যবসায়ীরা। যাঁরা অর্থনীতিকে সচল রাখেন। বেগম জিয়া শুধু ছিলেন ব্যবসাবান্ধব। তিনি ছিলেন মুক্তবাজার অর্থনীতির ধারক।’

১৪তম বর্ষে নভোএয়ার, টিকিটে বিশাল ছাড়

অরাজক এলপিজির বাজার

রাষ্ট্রায়ত্ত ও বহুজাতিক ১০টি লাভজনক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনার সিদ্ধান্ত

ডিসেম্বরে অর্থনীতিতে গতি কিছুটা বেড়েছে

ইউনিলিভার-নেসলেসহ ১০ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে আনতে বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা

সাধারণ বিমা কোম্পানির এজেন্ট লাইসেন্স স্থগিত

পাসপোর্ট এন্ডোর্সমেন্টে মানি চেঞ্জারদের সর্বোচ্চ ফি বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

এলপিজি সংকটে রিফিল হচ্ছে না ৪ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার, দাবি ব্যবসায়ীদের

অনলাইনে ভ্যাট রিফান্ড চালু, সরাসরি টাকা যাবে করদাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে

বিনিয়োগকারীদের ১০১ কোটি শেয়ার শূন্য হচ্ছে