দাতাদের অর্থসহায়তার প্যাকেজ দেশে দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক বাঁচানোর সেরা উপায় হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সভাপতি আব্দুল হাই সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
বিএবি সভাপতি আব্দুল হাই সরকার বলেন, ‘ব্যাংকের মূল শক্তি ডিপোজিটর। যদি তাঁরা টাকা না রাখেন তাহলে ব্যাংক শেষ। তাহলে লোনও দেওয়া যাবে না। ব্যাংক বাঁচবে কীভাবে? টাকার সোর্স তো ডিপোজিটর। আমরা বোর্ডে বসতে পারি; কিন্তু আমাদের আর কত টাকা আছে! আবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা দিয়ে অন্য ব্যাংকগুলোকে বাঁচানো সম্ভব নয়। এজন্য কার্যকর উপায় হিসেবে আমরা বলেছি, আইএমএফ, আইএফসি, এডিবি বাংলাদেশে যে অর্থায়ন করছে, তাদের একটা প্যাকেজ যদি দেওয়া যায় তাহলে এসব ব্যাংককে বাঁচানোর সেরা মাধ্যম হবে।’
এভাবে ব্যাংক টেকাতে পারবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি জিনিসেরই সমাধান আছে। ওই সমাধানটাই বের করার চেষ্টা করছি। আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি, যাতে সমস্যায় থাকা ব্যাংকগুলোকে সাহায্য করতে পারি। যখন একটি ব্যাংক সমস্যায় পড়ে যায়, তখন ডিপোজিটররা সেই ব্যাংকে টাকা রাখতে চান না। তাঁরা মনে করেন, এ ব্যাংকে টাকা রাখলে নষ্ট হবে। এই যে মানুষের বিশ্বাস, এটাকে গ্রো করতে সময় লাগবে। বর্তমান সরকার যেভাবে আমাদের সাপোর্ট দিচ্ছে এবং সুন্দর পলিসি দিচ্ছে, তাতে আমরা দ্রুত এ সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারব বলেও মন্তব্য করেন বিএবি সভাপতি।’
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল হাই সরকার জানান, ‘অনেকেই ব্যাংকের ৫ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন। যাঁরা টাকা মেরে পালিয়ে গেছেন তাঁরা যেন কোর্টে প্রতিনিধি পাঠাতে না পারেন।’