হোম > অর্থনীতি

ইলন মাস্কের ২% সম্পদ মেটাতে পারে বিশ্বের খাদ্য সংকট 

টেসলা ও স্পেস এক্স-এর প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের মাত্র ২ শতাংশ সম্পদেই মিটতে পারে পুরো বিশ্বের খাদ্য সংকট। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটি জানিয়েছেন  জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) পরিচালক ডেভিড বিসলে।   

 সাক্ষাৎকারে  তিনি বলেছেন,  ৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ আক্ষরিক অর্থে মারা যাবে যদি আমরা ৬০০ কোটি ডলার তাদের কাছে না পৌঁছাই। এটি জটিল নয়

ডেভিড বিসলে বলেন,  বিশ্বের অতি ধনীরা যদি তাদের সম্পদের সামান্য অংশ দান করেন, তাহলে বিশ্বের বহু মানুষের দুবেলা দুমুঠো খাবার জোটানো সম্ভব। চাইলে অতি ধনীদের কোনো একজনের একবারের দানেই বিশ্বজুড়ে অনাহারে মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকা এসব মানুষ প্রাণে বাঁচবে। 
 
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম কোম্পানি হিসেবে এক লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে মার্কিন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা।  মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের হিসাব অনুযায়ী, টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের সম্পদ এখন ২৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। অর্থাৎ তিনি তাঁর সম্পদের মাত্র ২ শতাংশ দান করলেই মিটবে চরম এই খাদ্যসংকট।

করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের শতকোটি ডলারের মালিকদের সম্পদ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

 ডেভিড বিসলের  মতে, বিশ্বের খাদ্য সংকট মেটাতে এই ধনকুবেরদের একবারের জন্য হলেও এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি এ সময় মূলত বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি টেসলার ইলন মাস্ক এবং দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী আমাজনের জেফ বেজোসের কথা উল্লেখ করেন। 

বিসলে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কোভিড-১৯ মহামারির মতো বিভিন্ন সংকটের কারণে অনেক দেশের দরজায় কড়া নাড়ছে দুর্ভিক্ষ।

আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি বাতিলে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি চায় ক্যাব যুব সংসদ

সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন: মিডা চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ

ফোন আমদানিতে ৬০ শতাংশ শুল্ক কমাল এনবিআর

মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিতে পারবে ৫০ কোটির প্রকল্প

শুল্কের কারণে আমদানি কমাচ্ছেন মার্কিন ক্রেতারা

সব রেকর্ড ভেঙে সোনার ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার

সংকট কাটাতে বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর পুনঃস্থাপন

শীতার্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন অ্যাডভোকেট এলিনা খান

ভোটের আগে অর্থনীতিকে তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে রেখে যাচ্ছেন ড. ইউনূস