হোম > অর্থনীতি

ই-কমার্সকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার স্বপ্ন মোরিনের

রবিউল আলম

ঢাকা: ভঙ্গুর পথ পাড়ি দিয়ে সময়ের পালাক্রমে দেশে ক্রমেই বিশ্বাসযোগ্য ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। গত পাঁচ বছর আগেও অনলাইনে বেচা-কেনায় নানাবিধ বাধার সম্মুখীন হতো দেশীয় গ্রাহক ও উদ্যোক্তারা। দেশের যে কয়েকজন স্বপ্নবাজ তরুণের হাত ধরে দেশে ই-কমার্স অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য সফলতা পেয়েছে তারই একজন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পিকাবুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহপ্রতিষ্ঠাতা মোরিন তালুকদার।

২০১৩ সালে যুক্তরাজ্যে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনাকালীন সাধারণ একজন গ্রাহক হিসেবে প্রায়ই নিজের প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেন বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে। সেখানে অনলাইন বেচাকেনায় ধারাবাহিক সাফল্য ও আস্থা দেখে স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলাদেশেও নতুন আঙ্গিকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে প্রথমে গড়ে তোলেন ই-হাটবাজার ডটকম। পরে ২০১৬ সালে যোগ দেন পিকাবুতে। ২০১৯ সালে এসে নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে হয়ে যান পিকাবুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ২০২১ সালে এসে স্থান করে নেন ফোর্বসের ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’–এর এশীয় তালিকায়। 

২০১৩ থেকে ১৪ সালের দিকে যখন এদেশে ই-কমার্সের শুরু তখন বড় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল বাজারে ই-কমার্সকে পরিচিত করা। সেসময় অনেকেরই ধারণা ছিল ই-কমার্সের সব পণ্যই নকল। কী পণ্য সরবরাহ করা হবে তা না জানার কারণে ভয়ে গ্রাহকরা অনলাইন পেমেন্টে আসতেন না। পণ্য আসল কিনা এ নিয়েও ছিল নানা প্রশ্ন। গ্রাহকদের সে ধারণা পরিবর্তন করতে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনেক বছর লেগেছে বলে জানান মোরিন তালুকদার।

তবে ই-কমার্সের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ যে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য আর বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠা তা অনেকাংশেই অতিক্রম করে সরকারের আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ফান্ডিং, ই-কমার্সকে উৎসাহ দিতে সরকারের বিভিন্ন পলিসি, করোনার মাঝেও কার্যক্রম চালানোর সুযোগ এবং পেশাদার ব্যবসা হিসেবে স্বীকৃতি ইত্যাদির জন্য ই-কমার্স ক্রমেই সাফল্যের মুখ দেখছে বলেও জানান মোরিন।  

তরুণদের যারা নিজেদেরকে ই-কমার্সে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা যেনো নতুন ফিচার বা ভ্যালুর সঙ্গে আরও ভিন্ন কিছু নিয়ে বাজারে আসে সে পরামর্শ দিয়ে মোরিন বলেন, যে–ই ভিন্ন কিছু বাজারে নিয়ে আসবে সে–ই মানুষের মনোযোগ পাবে। ই-কমার্সে দেশের ১৭ কোটি মানুষকে সহজে সেবা দেওয়ার অনেক বড় সুযোগ আছে। এখানে খুচরা বাজার অনেক বড় যা নতুনদের জন্য বিরাট সুযোগ। যার মাধ্যমে সহজ ও সুস্থ প্রতিযোগিতার ফলে মার্কেট অনেক গতি পাবে।

ই-কমার্সে মূল চালিকাশক্তি যে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা ফোর্বসের নতুন এই স্বীকৃতি, সেখানে যুক্ত করবে বিশ্বাসের নতুন এক ধারা। যা অর্জনের জন্য মোরিন স্বপ্ন দেখেছেন এবং যা বাস্তবায়নে এতদিন নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে দেশ আরও ডিজিটাল হবে। এখন যে গ্রাহকদের প্রায় ৯০ শতাংশ ক্যাশ অন ডেলিভারি দেওয়া হয় সেই চিত্র পরিবর্তন হয়ে হয়তো ৯০ শতাংশ গ্রাহক অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের আওতায় আসবে।  যার ফলে গ্রাহকরাও আরো দ্রুত পণ্য ডেলিভারি পাবে ও পণ্যের মান নিশ্চিত সহজ হবে বলে আশাবাদী স্বপ্নবাজ মোরিন।

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত সার্কুলার জারি

ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার

নভেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম জানাল সরকার

বর্ণিল আয়োজনে আইএসইউতে নবীনবরণ, নতুনদের পদচারণায় উৎসবের আমেজ

মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ট্রেডউইন্ডের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ঢাকায় শুরু আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

ফের শান্তি আলোচনা শুরুর সম্ভাবনায় কমল তেলের দাম

সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায়

ব্যবসায়ীদের কমিশন বৃদ্ধির গণশুনানি আজ