ঠাকুরগাঁওয়ে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জবায়দুর রহমান হত্যা মামলায় বিএনপির ১২৩ নেতা-কর্মীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সমরেশ শীল আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ছেপড়িকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গুলিতে নিহত হন জবায়দুর রহমান। পরে পুলিশ কনস্টেবল জাহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে বিএনপির ১২৩ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ওই বছরের আগস্টে সদর থানার এসআই আব্দুল মান্নান অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল হালিম বলেন, ‘এটি ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ায়। মামলার কোনো সাক্ষীই অভিযোগের পক্ষে কথা বলেননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘১১ বছর আসামিরা হয়রানি ও ঘরছাড়া হয়েছিলেন। আজ আদালতের রায়ে সত্যের জয় হলো।’
সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে ওই কর্মকর্তা নিহত হলেও তখনকার সরকার আমাদের নেতা-কর্মীদের ফাঁসিয়ে সারা দেশে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। মামলার সব আসামি একসময় জেল খেটেছেন।’