শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে অন্য কারও ইন্ধন থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এরপর আজ সোমবার তথ্যমন্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে একই অভিযোগ করা হয়।
এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে শাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের মূল ফটকে আজ সোমবার সকাল থেকে আইডি কার্ড যাচাই করে বা পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, কোনো বহিরাগত যাতে ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্যই এ ব্যবস্থা।
আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘অনেকে এমন কথা বলছেন। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অমূলক। আমরা মূল ফটকে পরিচয় যাচাই করে এরপরে ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছি।’
গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যের বাসার সামনে অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা। ফলে নিজ বাসায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন উপাচার্য। শিক্ষার্থীরা জানান, পুলিশ ছাড়া কেউ উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না।
উল্লেখ, গত ১৩ জানুয়ারি রাত থেকে শুরু হওয়া প্রভোস্ট বিরোধী আন্দোলনে ১৬ জানুয়ারি পুলিশের হামলা চালিয়ে ৩০ শিক্ষার্থীকে আহত করলে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি ওঠে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশনসহ আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা।