শেরপুরের পোড়াগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া গোপনে জাহানারা খাতুন নামে একজনকে গোপনে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে আজাদ মিয়ার কোন খোঁজখবর না থাকায় স্ত্রীর মর্যাদা ফিরে পেতে ও ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন তিনি। গত ২ আগস্ট প্রশাসকের কাছে এ আবেদন জানানো হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাহানারা খাতুন একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। চাকরি করা অবস্থায় আজাদ মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাঁর। সেই সম্পর্কের জেরে দীর্ঘদিন তাঁরা স্বামী-স্ত্রীর গোপন সংসার করেন। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন জাহানারা বেগম। একপর্যায়ে চলতি বছরের ১৩ জুন শেরপুরের শ্রীবর্দীতে রেজিস্ট্রি কাবিন করেন তাঁরা। কিন্তু কাবিন নামায় গয়না বাবদ ১ লাখ টাকা দেনমোহরের কথা উল্লেখ থাকলেও তা পরিশোধ করেনি আজাদ মিয়া।
জাহানারা বেগমের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, কাবিনের পরে আমার স্বামী আজাদ মিয়া আমাকে বলে তুমি কয়েক দিন তোমার বাড়িতে থাক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমার বাড়িতে নিয়ে আসব। কিন্তু পরে আর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নাই। আমি যোগাযোগ করলেও আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এখন আজাদ মিয়া ও তাঁর পরিবারের লোকজন আমাকে ও আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, এখন আমি নিজ বাড়িতেও থাকতে পারছি না। যাযাবরের মত আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে থাকতে হচ্ছে।
অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কতিপয় চেয়ারম্যান প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে এসব চক্রান্ত করছে। আমি এমন কিছু করিনি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোমিনুর রশিদ বলেন, আমি আবেদন পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।