শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার বিকেল ৪টায় জেলা জামায়াতের উদ্যোগে শহরের মাইসাহেবা মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিসি গেটে গিয়ে এটি শেষ হয়।
সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান। বক্তব্য দেন শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল, শেরপুর-২ আসনের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. লিখন মিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি আশরাফুজ্জামান মাসুম প্রমুখ।
নেতারা বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। আগামী দিনে কোনো কর্মসূচিতে যদি প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করে, তাহলে প্রশাসনের ওই কর্তাদের শেরপুর ছাড়তে হবে।
সমাবেশে শনিবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়ামে রেজাউলের জন্য দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে চেয়ারে বসা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে শতাধিক লোক আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন রেজাউল করিমসহ আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।