হোম > সারা দেশ > রংপুর

আমি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিকার—বললেন জাপা প্রার্থী

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি 

মঞ্জুম আলী। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলীর নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ওই আসনে বিএনপি প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজনের করা রিট আবেদনে হাইকোর্ট জাপা প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেন।

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, ‘আমি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিকার।’

সূত্রে জানা গেছে, রিট পিটিশন নম্বর ১০৫১/২০২৬-এর শুনানি শেষে বিচারপতি রাজীক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ২১ জানুয়ারি রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে আদেশটি প্রকাশ করা হয়।

ফেসবুক পোস্টে ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকতে না পেরে বিএনপির প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন আদালতের মাধ্যমে তাঁকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা করেছেন।

মঞ্জুম আলী লেখেন, ‘ভোটের মাঠে জনপ্রিয়তার শক্তি প্রদর্শন হওয়া উচিত, আদালত বা প্রশাসনিক কৌশলের মাধ্যমে নয়।’

মঞ্জুম আলী আরও বলেন, গঙ্গাচড়ার মানুষের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়েই তিনি নির্বাচনে নেমেছিলেন এবং ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পোস্টকে ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এই বক্তব্যের পক্ষে মত দিয়েছেন আবার কেউ আইনিপ্রক্রিয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

জানতে চাইলে রংপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন আজকের পত্রিকাকে বলেন‚ ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না, কেউ যদি বলে থাকে, সেটা তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।’

রংপুরের পীরগঞ্জ: টিআর প্রকল্পের টাকা নয়ছয়

রংপুরে মোটরশ্রমিকদের কর্মবিরতি ও সড়ক অবরোধ, ২ ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ

রংপুরের তারাগঞ্জ: ধানখেতে মাছ চাষের ‘গুরু’ গোলজার

ভূমিকম্পে কাঁপল রংপুর

‘ধানখেতে মাছ চাষের গুরু’ গোলজার

পায়রাবন্দে হচ্ছে না রোকেয়া স্মৃতি ভাস্কর্য ‘জাগ্রত জননী’

বেরোবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে হামলার অভিযোগ

বেরোবিতে ভর্তি ফি ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি, প্রতিবাদে গণস্বাক্ষর ও স্মারকলিপি প্রদান শিক্ষার্থীদের

রংপুরে কৃষকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

ছোট কাঁধে বড় দায়: ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণে খেলনা বিক্রি করে রাশেদুল