হোম > সারা দেশ > রংপুর

ঘাঘট নদে ডুবে যাওয়ার ১৩ ঘণ্টা পর ভেসে উঠল শিশুর লাশ

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি

নাজিম। ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের পীরগাছায় ঘাঘট নদে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর ভেসে উঠেছে শিশু নাজিমের (৭) মরদেহ। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ডুবে যাওয়ার স্থান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে তার মরদেহ ভেসে ওঠে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার কৈকুড়ি ইউনিয়নের মোংলাকুটি (উজানপাড়া) গ্রামে বড় ভাইয়ের কাঁধে চড়ে ঘাঘট নদ পার হওয়ার সময় ডুবে যায় নাজিম।

নাজিম মোংলাকুটি উজানপাড়া গ্রামের দিনমজুর আশা মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে। সে স্থানীয় শুল্লিপাড়া প্রাইমারি স্কুলের শিশু শ্রেণিতে পড়ত।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে নাজিম তার বড় ভাই স্বাধীনের সঙ্গে ঘাঘট নদের পাড়ে একটি কলাবাগানে কলা খেতে গিয়েছিল। কলা খেয়ে ছোট ভাই নাজিমকে কাঁধে করে নদ পার করার চেষ্টা করে স্বাধীন। কিন্তু নদে পানি বেশি থাকায় সে মাঝপথে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এ সময় নাজিম ডুবে যায়। স্বাধীন তীরে পৌঁছে চিৎকার দিয়ে ঘটনা সবাইকে জানালে প্রথমে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারে চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে পীরগাছা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাঁদের দলে ডুবুরি না থাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারেননি। পরে রংপুর ফায়ার সার্ভিস থেকে একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। অবশেষে আজ বুধবার ভোরে তার মরদেহ নদের পানিতে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, এ ব্যাপারে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রংপুরে অজ্ঞাতনামা নারীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার

রান্নার চাল ধোয়ার জন্য নলকূপের পাড়ে গৃহবধূ, মিলল গলাকাটা মরদেহ

দিনে রোদের ছোঁয়া, রাত হলেই বাড়ে শীত—তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৭.৫

ঠান্ডাজনিত রোগে মারা গেল ১৪৯৫ ছাগল

পাঁচবার তফসিল পরিবর্তন, বেরোবিতে নির্বাচন না হলে কেন নাটক: ছাত্রশিবির

ব্রাকসুর সকল কার্যক্রম স্থগিত

ফের ব্রাকসুর তফসিল পরিবর্তন, নির্বাচন ২৫ ফেব্রুয়ারি

প্রশ্নপত্র ফাঁসের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে নিতে হবে: আখতার হোসেন

মানুষ মনে করে, ৫ আগস্টের আগের পুলিশ কেন গ্রেপ্তার করবে, কেন রাস্তা ছাড়তে বলবে—আইজিপির আক্ষেপ

কাউনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ওয়ার্ডে পানি সরবরাহ বন্ধ ভোগান্তিতে রোগী-স্বজন