হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ভিড় বেড়েছে খোলাবাজারে

প্রতিনিধি, দুর্গাপুর (রাজশাহী)

বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় খোলাবাজারগুলোতে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তদের ভিড় বেড়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজশাহীর দুর্গাপুরে আগে চাল পাওয়া নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পরে দায়িত্বরত ডিলার ও স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করলে আবারও কার্যক্রম শুরু হয়। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খোলাবাজারে বিক্রির ওএমএস’র চাল-আটা পেতে ভিড় বেড়েছে আগের তুলনায় দ্বিগুণ। খোলাবাজারে বিক্রির ওএমএস’র চাল-আটা পেতে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে হাহাকার। দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও স্বল্পমূল্যে চাল ও আটা কিনতে না পেরে তাঁদের অনেককেই ফিরতে হচ্ছে শূন্য হাতে। ডিলাররা বলছেন, বরাদ্দের চেয়ে চাহিদা অনেক বেশি। তাই বিক্রি শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই চাল আটা শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। 

ইউএনও অফিস সূত্রে জানা যায়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুর্গাপুর পৌরসভার তিনটি পয়েন্টে (ওএমএস) স্বল্প মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি শুরু হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, শালঘরিয়া বদির মোড়, সিংগাবাজার ও দুর্গাপুর সদর বাজার। প্রতিটি ডিলারকে প্রতিদিন ১ হাজার ৫০০ কেজি চাল ও আটা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ডিলারদের কাছে থেকে প্রত্যেক ব্যক্তি পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা ক্রয় করতে পারবেন। চাল ৩০ টাকা ও আটা ১৮ টাকা কেজি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজার ঘুরে জানা গেছে, চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে চিকন চাল। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা কেজিতে। ফলে বাজারে চাল ও আটার এমন দামে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। যে কারণে খোলাবাজারে ৩০ টাকা কেজিতে চাল ও ১৮ টাকা কেজিতে আটা কিনতে তারা ওএমএস’র দিকে ছুটছেন। অনেকেই চাল ও আটা বিক্রি শুরু হওয়ার আগেই এসে লাইনে অপেক্ষা করছেন।

শালঘরিয়া গ্রামের ট্রলি চালক আমেজ উদ্দিন বলেন, ‘খোলাবাজারে নিম্ন আয়ের মানুষের কথা বলা হলেও সব শ্রেনির মানুষ চাল আটা পেতে চায়। এমনকি ইউনিয়নের লোকজনও চাল আটা পেতে পৌরসভায় ভিড় করছেন। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম। এ কারণে প্রতিদিন চাল আটা পেতে মানুষের মধ্যে হট্টগোল বাঁধে।’ 

তিত্তরকুড়ি গ্রামের সোখিনা বেগম জানান, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে বেলা ১২টার দিকে চাল পেয়েছেন। গত দিন আসতে দেরি হওয়ায় তিনি চাল পাননি। স্বামী কাজে যায়, তিনি নিয়মিত খোলাবাজার ওএমএস চাল পেতে যুদ্ধ করেন। চাল আটার মান ভাল হওয়ায় চাল আটা কিনতে ধনীরাও ভিড় করে। এ কারণে লড়াই করে চাল আটা কিনতে হয়। 

ভ্যানচালক কামাল হোসেন বলেন, লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। শেষ পর্যন্ত চাল পাব কিনা জানি না। বাজারে চালের দাম বেশি। আমাদের খোলাবাজারে চাল আটাই ভরসা। 

শালঘরিয়ার ডিলার বজলুর রহমান বলেন, গতকাল মঙ্গলবার সকালে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে ভিড়ের মধ্যে একটু ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। তবে এটা সামান্য ব্যাপার বড় ধরনের কিছু না। পরে পরিস্থিতি শান্ত করে আবারও পণ্য শুরু হয়।    

ট্রায়াল দেওয়ার নামে গাড়ি নিয়ে লাপাত্তা যুবদল নেতাকে বহিষ্কার

ব্রেনের চিকিৎসা করতেন এইচএসসি পাস নুরুল, ৬ মাসের জেল

দুই সহযোগীসহ ‘চাঁদাবাজ’ চান সওদাগর আটক, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

লবণের কার্গো ট্রাকে মিলল ১২৬ কেজি গাঁজা

জামায়াতে ইসলামীতে কেউ স্বাধীনতাবিরোধী নয়: মেজর আখতারুজ্জামান

দেশে ১৭ লাখ ৮০ হাজার শিশু শ্রমে নিযুক্ত: সচিব

রাজশাহীতে হেরোইনসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ ভারতীয় নাগরিক আটক, বিএসএফের কাছে হস্তান্তর

প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি হওয়া রাবির তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

সীমান্ত দিয়ে আসা অস্ত্র দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি: বিজিবির রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার