রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতনামা এক নারী (৩৫) ও সোহাগ (২৫) নামের এক যুবক মারা গেছেন। সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালে আলাদা দুটি ট্রেনে কাটা পড়েন তাঁরা।
এর মধ্যে মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে হলিদাগাছী রেলগেট এলাকায় অজ্ঞাতনামা এক নারী ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর আগে সোমবার রাতে হাবিবপুর কালাবিপাড়া এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন সোহাগ।
ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী থেকে খুলনাগামী মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনটি হলিদাগাছী রেলগেটে পৌঁছালে প্রায় ৩৫ বছর বয়সী এক নারী হঠাৎ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে তাঁর শরীরের দুটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে শনাক্ত করার চেষ্টা করলেও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
অন্যদিকে সোমবার রাতে হাবিবপুর কালাবিপাড়া এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান সোহাগ। তিনি ওই এলাকার কালাবিপাড়া গ্রামের জুলুম প্রামানিকের ছেলে। দুর্ঘটনায় তাঁর একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
সারদা রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার ইকবাল কবির জানান, হলিদাগাছী এলাকায় নিহত নারী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আর নিহত যুবক নেশাগ্রস্ত ছিলেন।
নিহত নারীর মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। সোহাগের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।