হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

আসছেন তারেক রহমান, যা চান রাজশাহীর মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে সকাল থেকেই চলে এসেছেন নেতাকর্মী-মানুষজন। ছবি: আজকের পত্রিকা

দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ রাজশাহী সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুপুরে বক্তব্য দেবেন রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে। এ জন্য সকাল থেকেই মাঠে চলে এসেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। তারেক রহমানকে দেখতে আশপাশে অবস্থান করছেন সাধারণ মানুষও। তাঁদের কারও চাওয়া, তারেক রহমান রাজশাহীর উন্নয়নের রূপরেখা দিয়ে যাবেন এই জনসভা থেকে। কেউ চান সন্ত্রাসমুক্ত দেশ। আবার কারও চাওয়া সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা।

মাদ্রাসা মাঠ-সংলগ্ন ঘোষপাড়া মোড়ে কথা হয় তরুণ মোস্তাকিম হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রাজশাহী বিএনপির ঘাঁটি। আমাদের তরুণদের প্রত্যাশা, খেলাধুলার মাঠগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো ঠিক করা হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে আরও উন্নয়ন হোক। বেকারত্ব বড় সমস্যা। গ্যাস আছে, কিন্তু সংযোগ পাওয়া যায় না। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে যেন এগুলোর সমাধান করেন। গ্যাস পেলে কলকারখানা হবে। বেকারদের কর্মসংস্থান হবে। তা না হলে এখন অটো চালাতে হচ্ছে। রেস্টুরেন্টে কাজ করতে হয়। তাতে সংসার চলে না। রাজশাহীর বেকারদের কর্মসংস্থানের বিষয়টিই গুরুত্ব দেওয়া দরকার।’

কথা হয় আখের রস বিক্রেতা বুদ্ধু শেখের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, সবাই যেন এই দেশে ভালো থাকতে পারে। দেশটা যেন সন্ত্রাসমুক্ত থাকতে পারে। এত দিন যেভাবে দেশ চলছে, তার থেকে আশা করি তারেক রহমান ভালো চালাবেন।’

রিকশাচালক মো. শামিম বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হবে দেশে। আমরা গরিব মানুষ, সাধারণ মানুষ, খেটে খেতে পারব, এটিই আমার প্রত্যাশা। নাগরিক হিসেবে আমি চাই রাজশাহীর উন্নয়ন হবে। এই দেশটা ভালোমতো চালাক। এটিই আমার প্রত্যাশা। অনেক দিন পর তারেক রহমান রাজশাহী বিভাগে আসছেন, এটিও তো বিশাল পাওয়া।’

স্থানীয় বাসিন্দা মো. নবাব বলেন, ‘তারেক রহমানের কাছে প্রত্যাশা হলো নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমরা আশা-ভালোবাসা দিয়েই তাঁকে বরণ করে নেব। গরিব মানুষের যেন ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। পরিবেশ যেন পরিবেশের মতো থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন দরকার। পাশাপাশি শহরে যেসব নাগরিক সুবিধা পাওয়ার কথা, তা যেন নিশ্চিত হয়।’

আরেক বাসিন্দা শহীদুল ইসলামের প্রত্যাশা, দেশটা শান্তিময় হোক। তিনি বলেন, ‘উত্তরাঞ্চল অবহেলিত। এখানে শিল্পকারখানা নেই। এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের জন্য শিল্প গড়ে তুলুক। জুলাই অভ্যুত্থানের পরে যে সুযোগ এসেছে, আমরা আশা করি, তারেক রহমান এ দেশের মানুষকে নিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন। যে বাংলাদেশে সবাই তার অধিকার নিয়ে থাকবে। মানুষে মানুষে বৈষম্য থাকবে না। সবার যেন মিনিমাম একটা আয় থাকে।’

এর আগে ২০০৪ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রাজশাহী এসেছিলেন তারেক রহমান। এরপর দলীয় প্রধান হিসেবে এটিই তার প্রথম সফর। তাঁর এই সফরকে ঘিরে উজ্জীবিত দলটির নেতা-কর্মীরা। দুপুরে প্রথমে রাজশাহী, এরপর বিকেলে নওগাঁ এবং পরে রাতে বগুড়ায় নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান। তিনি এই অঞ্চলের মানুষের কাছে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। পাশাপাশি নির্বাচনে তিনি ধানের শীষে ভোট চাইবেন।

মেঝেতে স্ত্রীর লাশ, বিছানায় পড়ে ছিলেন আহত সাংবাদিক

বাড়ি থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে মিলল নিখোঁজ কৃষকের রক্তাক্ত লাশ

শ্রমিকদের চাঙা রাখতে জমিতে মাইক

নির্বাচনী সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধে ৭ দাবি রাবি ছাত্রীসংস্থার

রাজশাহীতে তারেক রহমানের আগমনকে লাল কার্ড প্রদর্শন করলেন রাবির কয়েকজন শিক্ষার্থী

রাজশাহী বিভাগের ৩৯ আসন: ১৬ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ইউএনওর বিরুদ্ধে ডিসির কাছে নালিশ

দ্বন্দ্ব ভুলে ধানের শীষের মঞ্চে তারেক

বাসচাপায় তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় চালক গ্রেপ্তার, সঙ্গে পুলিশ হেনস্তাকারীও

এসি ল্যান্ড কার্যালয়ে ঢুকে হম্বিতম্বি, যুবককে দেড় বছর কারাদণ্ড