অবশেষে চারঘাটের চার ব্যক্তিকে জীবিত বলে ভোটার আইডি কার্ড পরিবর্তন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম। তাঁরা দীর্ঘ চার বছর ধরে ভোট প্রদানসহ নাগরিক সব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন।
ভোটার তালিকায় মৃত থাকা জীবিতরা হলেন উপজেলার থানাপাড়া গ্রামের আল ফারাবী ইবনুল (২৮), পরানপুর গ্রামের হাজেরা বেগম (৮৪), হাবিবপুর গ্রামের আমান উল্লাহ (৭০) ও ডাকরা গ্রামের শাহানাজ পারভিন (৫০)। ২০১৭ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদে তাঁদের মৃত উল্লেখ করা হয়।
জানা যায়, জীবিত থেকেও ভোটার আইডিতে মৃত আসায় নির্বাচন অফিসে একাধিকবার ধরণা দিয়েও কোনো সুরাহা করতে পারেননি তাঁরা। এ বিষয়ে দৈনিক আজকের পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে অবশেষে চার বছর পর নির্বাচন অফিস সমস্যার সমাধান করে মৃতদের জীবিত করে দেয়।
ভোটার তালিকায় মৃত থাকার কারণে এত দিন আল ফারাবী ইবনুল চাকরির আবেদন করতে পারেননি। এ ছাড়া তাঁরা সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। এমনকি জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য করোনার টিকা পর্যন্ত দিতে পারেননি। এ নিয়ে দুর্বিষহ দিন কাটাচ্ছিলেন তাঁরা।
ভুক্তভোগী আমান উল্লাহ ও শাহনাজ পারভীন বলেন, `চার বছর পর ভোটার তালিকায় মৃত থেকে জীবিত হয়েছি। আমরা খুবই খুশি। এখন থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগসহ সরকারি সব সুবিধা পাব। তবে আমাদের যাঁরা ভোটার তালিকায় মৃত বানিয়েছেন, তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।'
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ভোটার তথ্য সংগ্রহকারী এবং তথ্য প্রদানকারীদের জন্য এমন জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। তাঁদের আবেদন পেয়ে খোঁজখবর নিয়ে আইডি কার্ড সংশোধন করা হয়েছে।