হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

পদ্মার চরে বিষ টোপ দিয়ে অতিথি পাখি হত্যা, যুবকের তিন দিনের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

চারটি মৃত পাতি তিলিহাঁসসহ যুবককে আটক করা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজশাহীতে পদ্মা নদীর চরে বিষ টোপ দিয়ে অতিথি পাখি হত্যার দায়ে লিটন হোসেন নামে এক যুবককে তিন দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরের শ্রীরামপুর এলাকায় তাঁকে আটক করেন নৌ পুলিশ ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা। এ সময় তাঁর কাছ থেকে চারটি মৃত পাতি তিলিহাঁস এবং প্রায় ৩০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের নাম লিটন হোসেন। তিনি ওই এলাকার মৃত তাজি মণ্ডলের ছেলে।

নৌ পুলিশের রাজশাহী অঞ্চলের পরিদর্শক উজ্জ্বল হোসেন বলেন, লিটন বিষ টোপ দিয়ে পাখি শিকার করে। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ও বন বিভাগের যৌথ অভিযানে তাঁকে চারটি মৃত পাতি তিলিহাঁসসহ আটক করা হয়। নদী পাড়েই তাঁকে তিন দিনের কারাদণ্ড দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক জামান। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বন বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, লিটন রাতে পদ্মার চরে বিষ টোপ দেন। এই বিষ টোপ খেয়ে পাখি মারা যায়। সকালে লিটন মৃত পাখিগুলো নিয়ে গলা কেটে নগরের বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরাঁয় সরবরাহ করে। সন্দেহ এড়াতে লিটন মাছ ধরার নাম করে কারেন্ট জাল নিয়ে চরে যেতেন। তাঁর আসল কাজ ছিল বিষ টোপে পাখি হত্যা করা।

প্রতিবছর শীত মৌসুমে রাজশাহীর পদ্মা নদীর চরে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি বা পরিযায়ী পাখি আসে। শিকারিরা চরে বিষ টোপ দিয়ে পাখি শিকার করে। গত ৯ জানুয়ারি শ্রীরামপুর এলাকার এক শিকারির বাড়ি থেকে ৯টি জবাই করা চখাচখি পাখি উদ্ধার করে বন বিভাগ। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারি পালিয়ে যায়।

অফিসের চাহিদা দেখিয়ে ৩০০ লিটার তেল নিতে গিয়ে ধরা ফায়ার সার্ভিসের ৪ কর্মী

রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারাজ দ্রুত নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

হামের উপসর্গ: রামেক হাসপাতালে আরও এক শিশুর মৃত্যু

এবার শতকোটি টাকার ওষুধ আনলেন ডা. আজাদ

হামের উপসর্গ: ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে ২ শিশুর মৃত্যু

অবশেষে চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল

রামেক হাসপাতাল: আইসিইউ না পেয়ে শিশুদের মৃত্যুতে স্বাস্থ্যসচিবের দুঃখ প্রকাশ

কৃষককে ভেকুতে পিষে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

‘অন্তর্বর্তী সরকার টিকা না দেওয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব’

দ্বিতীয় দফায় আইসিইউতে বেড পেল হামে আক্রান্ত সেই শিশু