বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের দারুল উলুম মাদ্রাসা সিলগালা করে দিয়েছেন রেলওয়ে পাকশী বিভাগের ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান। আজ রোববার দুপুরে তিনি ওই মাদ্রাসার মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় রেল মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সাইদুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর শহরের মানুষের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে মাদ্রাসার তিনতলা ভবন নির্মাণ বন্ধের অঙ্গীকারনামা না দেওয়া পর্যন্ত সিলগালা খোলা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান।
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, সান্তাহার শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রায় আট একর জায়গার ওপর মাদ্রাসাটি নির্মাণ করা হয়েছে। রেলওয়ের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে এখন আবার মাদ্রাসার তিনতলা ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।
নুরুজ্জামান আরও বলেন, প্রায় এক বছর আগে মাদ্রাসার তিনতলা ভবনের অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধ করার জন্য মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির কাছে অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তাঁরা সেটি মানেননি। নিরুপায় হয়ে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সিলগালা করা হয়েছে।
সিলগালার বিষয়টি জানার পর মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক সাংসদ কছিম উদ্দীন আহম্মেদসহ সান্তাহার পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু, চিকিৎসক হামিদুর রহমান রানা এবং মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহাবুবুল হোসেন ও শিক্ষকেরা উপ-সচিব সাইদুর রশিদের সঙ্গে রেলওয়ে গেস্ট হাউসে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ ব্যাপারে মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু বলেন, সচিব মহোদয় বিকেল ৫টার আগে সিলগালা খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে সরেজমিন মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সিলগালা খোলা হয়নি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে।