রাজশাহী মহানগরের দামকুড়া থানা এলাকায় অটোরিকশাচালক মামুনুর রশিদ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এই ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা, চারটি ব্যাটারি ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হড়গ্রাম পূর্বপাড়ার তানভীর রানা প্রান্ত, লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়ার শামীম, আলীগঞ্জ পূর্ব মোল্লাপাড়ার রাব্বি, ভাটাপাড়ার নূর আলম, মোল্লাপাড়ার ওমর ফারুক বাবু, সুতাহাটি এলাকার সেলিম, মাসকাটাদিঘি এলাকার সুজন এবং খড়িবোনা এলাকার রাহেনুল হক। গত শুক্রবার এবং মঙ্গল ও বুধবার পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বুধবার দুপুরে আরএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
গাজিউর রহমান বলেন, ২ মে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন মামুনুর রশিদ। পরদিন জোতরাবোন উত্তরপাড়া এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পিবিআই ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা চায়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে মামুনুর রশিদকে অচেতন করে। পরে তাঁকে জোতরাবোন এলাকায় ফেলে রেখে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
ডিবি পুলিশ তিন দিন অভিযান চালিয়ে মামলার আট আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাই করা অটোরিকশা, চারটি ব্যাটারি এবং ব্যাটারি খোলার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।